1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা ভাইভা কোনদিন জানাল শিক্ষামন্ত্রী

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ৮৫ Time View
শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে নেওয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে যেসব বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, চলমান আইনি জটিলতা কাটিয়ে আগামী চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যেই প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এপ্রিলের ১৮ তারিখ আমরা এই পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু তার আগে, ১৫ এপ্রিল জানতে পারলাম যে পরীক্ষাটি আদালতের আদেশে স্থগিত (স্টে) হয়ে গেছে। এরপর ১৬ এপ্রিল আমি সেই স্থগিতাদেশ ভ্যাকেট (বাতিল) করলাম। তবে মামলাটি এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি। সেই আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে। আমরা খুব শিগগিরই, অর্থাৎ রিসেন্টলি, এই ভাইভা গ্রহণ করব।’

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব কমিটিই শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত আবেদন ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে সংশ্লিষ্ট কমিটিই সিদ্ধান্ত দেবে। সেই সিদ্ধান্তে যদি কেউ অসন্তুষ্ট হন, তাহলে পরবর্তী পর্যায়ে আমাদের কাছে আসতে পারবেন। কিন্তু শুরুতেই সবাইকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে আসার প্রয়োজন নেই। স্থানীয় পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করার ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে।’

শিক্ষা খাতের দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকটের চিত্র তুলে ধরে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা সবার অধিকার। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর সময় অতিক্রম হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে অসংখ্য শিক্ষক অবসরে চলে গেছেন। এমনও অনেক শিক্ষক আছেন, যারা দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেও অবসরে চলে গেছেন, কিন্তু প্রধান শিক্ষক (হেডমাস্টার) হওয়ার সুযোগ পাননি।’

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া সারা দেশে সরকারি বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার ৫০০। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক সেখানে নেই। তিনি বলেন, ‘নিয়ারলি ৫০ হাজার পদে শিক্ষক নেই। সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক সংকট নিয়েই শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, এই বিশাল শিক্ষক সংকট নিরসনে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং ধাপে ধাপে শূন্য পদ পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme