২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নতুনভাবে সরকারি করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ বরাদ্দের আওতায় রয়েছে নতুনভাবে সরকারি হওয়া ১৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৪৫টি সরকারি কলেজ।
এ বিষয়ে গত ১৬ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় শর্তাবলি ও নির্দেশনা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
(ক) ‘৩১-কর্মচারীদের প্রতিদান (Compensation)’ খাতের বরাদ্দ থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত বা আত্তীকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্রমিক নম্বর ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের বকেয়া বেতন-ভাতাসহ প্রাপ্য অন্যান্য ভাতাদি উত্তোলন করতে পারবেন।
(খ) বরাদ্দকৃত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা যদি এমপিও (MPO) খাত থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে সেই অর্থ (পিআরএল সময়ের অর্থ ব্যতীত) যথাযথভাবে সমন্বয় করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী যদি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করে থাকেন, তবে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দিতে হবে।
(গ) বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান, নীতিমালা এবং নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
(ঘ) বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম, অসঙ্গতি বা আর্থিক দুর্নীতি উদঘাটিত হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্বাহকারী কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে।
(ঙ) বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের পর কোনো অর্থ উদ্বৃত্ত থাকলে তা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে সমর্পণ করতে হবে।
(ক) ‘৩১-কর্মচারীদের প্রতিদান (Compensation)’ খাতের অর্থ থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত বা আত্তীকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্রমিক নম্বর ০ থেকে ৪৫ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত সব সরকারি কলেজে সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের বকেয়া বেতন-ভাতাসহ প্রাপ্য ভাতাদি উত্তোলন করতে পারবেন।
(খ) সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা যদি বরাদ্দকৃত অর্থবছরে এমপিও খাত থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করে থাকেন, তবে সেই অর্থ (পিআরএল সময় ব্যতীত) সমন্বয় করতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করা হয়ে থাকলে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দিতে হবে।
(গ) বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান ও নিয়মাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
(ঘ) ভবিষ্যতে এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা আর্থিক অসঙ্গতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্বাহকারী কর্তৃপক্ষই তার জন্য দায়ী থাকবেন।
(ঙ) বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের পর উদ্বৃত্ত অর্থ থাকলে তা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে সমর্পণ করতে হবে।
Leave a Reply