1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন ছাড় নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১৪৮ Time View
শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান নিয়ে যে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে, তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের জন্য বর্তমান সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে প্রকল্পের সংশোধনী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে বেতন-ভাতা প্রদানের বিদ্যমান সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং শিগগিরই মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ছাড় করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে ‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (মেমিস)’ প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সে সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা। তবে তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম বাদ দেওয়া হয়েছিল। ফলে মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি এবং বর্তমানে বেতন প্রদানে নানা ধরনের জটিলতা ও বিলম্বের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ সমস্যা সমাধানে সরকার নতুন করে প্রকল্পটি সংশোধন করেছে। ‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (মেমিস) সাপোর্ট’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধিত (প্রস্তাবিত তৃতীয় সংশোধন) প্রকল্পে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত ৯ জুন অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই সংশোধনী অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশোধিত প্রকল্পের ব্যয় এখন বেড়ে প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একনেকে এই সংশোধনী অনুমোদনের ফলে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের দীর্ঘদিনের সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব হবে। ইএফটি কার্যক্রম চালু হলে ভবিষ্যতে সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে বেতন-ভাতা পৌঁছে দেওয়া যাবে, ফলে বিলম্ব ও প্রশাসনিক জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

তিনি আরও জানান, পূর্বে এই প্রকল্পের আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি মাদরাসায় ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিন্তু ওই আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের বাকি সব এমপিওভুক্ত মাদরাসায় এখনো ম্যানুয়াল বা অ্যানালগ পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছে। এই কারণেই প্রতি মাসে বেতন ছাড় ও বিতরণে কয়েকদিন সময় বেশি লাগছে। তবে নতুন সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে খুব দ্রুতই এই সমস্যার অবসান ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিক্ষামন্ত্রী মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের সর্বশেষ বেতন প্রদানের তথ্যও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে মোট ১ লাখ ৯১ হাজার ২৩১ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে ৫১০ কোটি ৭২ লাখ ১২ হাজার ৭১ টাকা বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষক ছিলেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ১৮৩ জন এবং কর্মচারী ছিলেন ৪২ হাজার ৪৮ জন

তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশের এমপিওভুক্ত মাদরাসাগুলোতে মোট শিক্ষক রয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৬ জন এবং কর্মচারী রয়েছেন ৪২ হাজার ৯২ জন। অর্থাৎ এমপিওভুক্ত মাদরাসাগুলোতে শিক্ষক ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট জনবল দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ২৬৮ জন

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme