1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

অবসরপ্রাপ্ত এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা দিতে বছরে কত টাকা লাগে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

  • Update Time : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ৯৫১ Time View
শিক্ষামন্ত্রী

বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে বড় ধরনের আর্থিক সংকটের চিত্র তুলে ধরেছে সরকার। জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতির মুখে রয়েছে। এই আর্থিক সংকটের কারণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা ও আর্থিক প্রাপ্যতা পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। ফলে ২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত জমা হওয়া প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনের লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের বর্তমান বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ ও অবসরজনিত সুবিধা প্রদান করতে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। আয় ও ব্যয়ের এই বড় ব্যবধানের কারণে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে, যা ট্রাস্টের আর্থিক সক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি করেছে।

কল্যাণ সুবিধা প্রদানে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক মূল বেতনের ৪ শতাংশ হারে কেটে রাখা চাঁদা এবং সেই অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্জিত মুনাফা থেকেই কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত হয়ে থাকে। কিন্তু প্রতি বছর মূল বেতন বৃদ্ধি এবং বেতন কাঠামোর পরিবর্তনের কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য সুবিধার পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ফলে দায়ের পরিমাণ আয়ের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এ কারণেই আবেদন নিষ্পত্তি ও অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন বিভিন্ন পর্যায়ে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসব আবেদন একযোগে নিষ্পত্তি করতে হলে প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে। এত বড় অঙ্কের অর্থের সংস্থান না হওয়ায় আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে আবেদন নিষ্পত্তি ও সুবিধা প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে সংসদকে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইতোমধ্যে ৯ হাজার ২৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে মোট ৫৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকারও বেশি কল্যাণ ও অবসর সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জমাকৃত সব আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ (iBAS++) ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি আবেদনকারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া ২০২৩ সালের জুন ও জুলাই মাসে জমা পড়া আবেদনগুলোর অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ অনিষ্পন্ন প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থানের বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা গেলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য সুবিধা দ্রুত পরিশোধ করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme