1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরুর পরিকল্পনা জানালেন মাউশি ডিজি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ২৩৫ Time View
মাউশি

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলি কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি বলেছেন, শিক্ষকদের বদলির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য মাঠ পর্যায় থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং চলতি জুন মাসের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপরই বদলির আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য জানান। মাউশি ডিজি বলেন, শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এ তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতেই বদলির জন্য সফটওয়্যারভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পরিকল্পনা হলো জুলাই মাসের শুরুতেই শিক্ষকদের কাছ থেকে বদলির আবেদন গ্রহণ করা। এজন্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধান যেন ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান না করেন, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। জুন মাসের মধ্যেই তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ করে আবেদন গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে।

মাউশি মহাপরিচালক জানান, বদলি আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। মাউশি তাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখবে এবং মন্ত্রণালয় যেদিন অনুমতি দেবে, সেদিন থেকেই আবেদন গ্রহণ শুরু করা হবে। তিনি জানান, জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সফটওয়্যার আপডেটের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৮ মে সংশোধিত নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সফটওয়্যার হালনাগাদ করে তা মাউশিকে অবহিত করা হয়। এর আগে ১০ মে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে চিঠি দিয়ে সংশোধিত বদলি নীতিমালার আলোকে সফটওয়্যার আপডেট করার নির্দেশনা প্রদান করেছিল।

এরও আগে, গত ৬ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সংশোধিত বদলি নীতিমালা জারি করে। নতুন নীতিমালায় বদলি সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষক বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর সেখানে ন্যূনতম দুই বছর চাকরি সম্পন্ন করার পরই পুনরায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের তালিকা বা চাহিদা সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে। প্রকাশিত শূন্যপদের বিপরীতে শিক্ষকরা অনলাইনে বদলির আবেদন করতে পারবেন। আবেদন গ্রহণের পর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে বদলির আদেশ জারি করা হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সব স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান কিংবা একই বিষয়ের শিক্ষক পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

সংশোধিত নীতিমালায় শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অগ্রাধিকারের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনো আবেদনকারী শিক্ষক প্রথমে তার চাকরির আবেদনে উল্লেখিত নিজ জেলার মধ্যে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। যদি নিজ জেলায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো শূন্য পদ না থাকে, তাহলে তিনি নিজের বিভাগের অন্য যেকোনো জেলার বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করতে পারবেন।

এছাড়াও বিশেষ পারিবারিক বিবেচনায় শিক্ষকরা স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায়ও বদলির আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে কর্মস্থল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কিংবা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—যেকোনোটি হতে পারে।

নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর চাকরি সম্পন্ন না হলে কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করার যোগ্য হবেন না। অর্থাৎ চাকরিতে যোগদানের দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পরই কেবল বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।

উল্লেখ্য, সংশোধিত বদলি নীতিমালাটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক অনুমোদন দিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নীতিমালাটি জারির পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষকরা নীতিমালার বিস্তারিত বিধান সম্পর্কে অবগত হতে পারেন এবং বদলি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme