বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন প্রস্তাব আজ সোমবার পর্যন্তও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। সময়মতো এই প্রস্তাব না পাঠানোয় অনুমোদন প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বেতন পৌঁছাতেও দেরি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ অনলাইনে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বিল জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। বর্তমানে জমা দেওয়া বিলগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই মার্চ মাসের বেতন সংক্রান্ত প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মার্চ মাসের বেতন প্রস্তাব নিয়ে ইএমআইএস সেল বর্তমানে কাজ করছে। তবে এখনো তারা চূড়ান্ত প্রস্তাবনা প্রস্তুত করতে পারেনি। ফলে এটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানান, আগামীকাল এ বিষয়ে একটি হালনাগাদ তথ্য দেওয়া যাবে।
জানা যায়, প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অনলাইনে জমা দেন। এরপর সেই বিল যাচাই-বাছাই শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বেতন ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করেছে। এর মাধ্যমে বেতন প্রক্রিয়াকরণ আগের তুলনায় বেশি স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রিতভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।
Leave a Reply