সরকারি চাকরিজীবীদের পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। সব বিভাগের সমাবেশ শেষ করে পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর পর রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
বুধবার বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রমজান মাসের মধ্যেই সিলেটসহ কয়েকটি বিভাগে প্রতিনিধি সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই বরিশাল ও খুলনা বিভাগে সমাবেশ শেষ করে ঢাকায় বড় আকারের কর্মসূচি পালন করা হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় কর্মসূচিকে সফল করতে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পে-স্কেল বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ১১ বছর ধরে নতুন পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত। পূর্ববর্তী সরকার এ খাতে যে অর্থ বরাদ্দ রেখেছিল, তা অন্য খাতে ব্যয় করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অর্থ প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি-এর সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠক করেন কর্মচারী নেতারা। এ সময় বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপসচিব মো. আব্দুল খালেক এবং ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নান-সহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কর্মচারী নেতারা প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান এবং অতীতে পে-স্কেলের দাবিতে তার সমর্থনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। পাশাপাশি নতুন সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান তারা। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পে-স্কেল বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে, তবে ধাপে ধাপে তা দেওয়া হবে।
বৈঠক শেষে এম এ হান্নান জানান, প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে, তবে এর নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।
Leave a Reply