1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
Title :
যে দুই কারণে আটকে আছে পে স্কেল যে কোন সময় মন্ত্রীসভায় রদবদল আসছে বড় ধরনের চমক এমপিও শিক্ষকগণ বদলি আবেদনের জন্য কতদিন সময় পাবেন জানাল মাউশি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসাবে সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছে যাদের নাম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি

MPO শিক্ষক কর্মচারীদের কল্যাণ ফান্ডের টাকা ছাড়ের সিদ্ধান্ত

  • Update Time : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৪৪ Time View
MPO শিক্ষক কর্মচারীদের কল্যাণ ফান্ডের টাকা ছাড়ের সিদ্ধান্ত

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত, মৃত, অসুস্থ ও কন্যাদায়গ্রস্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে অবশেষে কিছুটা আশার আলো দেখা দিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সম্প্রতি এক অফিস আদেশে জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের তহবিল থেকে মোট ৪০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এই অর্থ ব্যয় করা হবে কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় থাকা অসুস্থ, মৃত ও কন্যাদান সুবিধাভোগী শিক্ষক ও কর্মচারীদের আবেদনের বিপরীতে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ট্রাস্টের তহবিল থেকে ছাড়কৃত এই ৪০ কোটি টাকা অগ্রণী ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকে থাকা হিসাব থেকে জনতা ব্যাংকের নির্দিষ্ট একাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। এই অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হবে ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান ও সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে। পূর্বে ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যানের একক স্বাক্ষরে পরিচালিত অ্যাকাউন্টে অর্থ রাখা থাকলেও, এখন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে যৌথ স্বাক্ষর পদ্ধতি অনুসরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠি অনুযায়ী, কল্যাণ ট্রাস্টের ১১তম ট্রাস্টি বোর্ডের ৪র্থ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে,

  • ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জমা হওয়া অবসর, পদত্যাগ ও প্রয়াত শিক্ষক-কর্মচারীদের আবেদন, এবং
  • ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জমা হওয়া অসুস্থ, মৃত ও কন্যাদানজনিত আবেদনগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর অর্থ হলো, যারা দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করেও কল্যাণ সুবিধা পাননি, বিশেষ করে যারা অসুস্থ বা প্রয়াত, অথবা কন্যাদানের কারণে আর্থিক সংকটে ছিলেন, তারা এবার প্রথমে এই তহবিল থেকে অর্থ পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অর্থ ছাড়ের আগে ও পরে নিয়ম মাফিক নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রত্যেকটি আবেদন যথাযথভাবে যাচাই করে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ার পরই অর্থ ছাড়ের প্রস্তাব চূড়ান্ত হবে।

এছাড়া, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের যাদের আবেদন ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ জমা পড়েছে, তারা প্রাপ্তি তালিকায় অগ্রাধিকার পাবেন। কারণ গত কয়েক বছর ধরে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমে থাকলেও অর্থ ছাড় না হওয়ায় অনেকেই তাদের প্রাপ্য টাকা পেতে পারেননি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কল্যাণ ট্রাস্টের তহবিল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • ট্রাস্টি বোর্ডের নিয়মিত সভা আয়োজন,
  • হিসাব নিরীক্ষার জন্য পেশাদার অডিট ফার্ম নিয়োগ,
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যৌথ স্বাক্ষরের নিয়ম চালু, এবং
  • অগ্রাধিকারভিত্তিতে দুর্বল শ্রেণির (অসুস্থ, মৃত, কন্যাদায়গ্রস্ত) সুবিধা প্রদানের নীতি।

তারা আশা করছেন, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া দ্রুততর ও দুর্নীতিমুক্ত হবে।

উল্লেখ্য, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছিল এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর, মৃত্যু বা অসুস্থতার সময় আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য। শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের একটি অংশ কর্তন করে এই তহবিল গঠন করা হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে অর্থ লোপাট, অডিট অনিয়ম ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বহু আবেদন ঝুলে ছিল।

বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে এই অর্থ ছাড়ের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। তারা অভিযোগ করেছিলেন যে, অনেক শিক্ষক মৃত্যুর পরও তাঁদের পরিবার প্রাপ্য অর্থ না পেয়ে দারিদ্র্যের কষাঘাতে পড়েছে।

এ অবস্থায় ৪০ কোটি টাকা ছাড়ের এই সিদ্ধান্তকে শিক্ষকসমাজ স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, এটি যদি নিয়মিতভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে অবসরপ্রাপ্ত, অসুস্থ ও প্রয়াত শিক্ষক-কর্মচারীদের পরিবার অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাবে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কল্যাণ ট্রাস্টের ৪০ কোটি টাকা ছাড় শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়—এটি হাজারো অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও প্রয়াত শিক্ষক পরিবারের জন্য একটি মানবিক উদ্যোগ। এখন মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী কাজ হলো স্বচ্ছতার সঙ্গে এই অর্থ বিতরণ নিশ্চিত করা, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা যেন দ্রুততম সময়ে তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেতে পারেন।

আপনি কি চান আমি এই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি ব্লগধর্মী বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন আকারে লিখে দিই (যেমন: “কল্যাণ ট্রাস্টের ৪০ কোটি টাকার ছাড়: শিক্ষক সমাজের আশা না কি প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা?”)?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme