1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
Title :
যে দুই কারণে আটকে আছে পে স্কেল যে কোন সময় মন্ত্রীসভায় রদবদল আসছে বড় ধরনের চমক এমপিও শিক্ষকগণ বদলি আবেদনের জন্য কতদিন সময় পাবেন জানাল মাউশি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসাবে সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছে যাদের নাম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি

EFT Salary bounce সমাধান কি?

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭১২ Time View
EFT Salary bounce সমাধান কি?

EFT Salary Bounce সমস্যার সমাধান মূলত নির্ভর করে ত্রুটির ধরন ও তথ্য হালনাগাদের উপর। তবে সাধারণভাবে এর সমাধান একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই সম্ভব। নিচে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে অনুচ্ছেদ আকারে ব্যাখ্যা করা হলো—

যখন কোনো শিক্ষকের বা কর্মচারীর বেতন EFT পদ্ধতিতে পাঠানো হয় কিন্তু তা ব্যাংকে জমা না হয়ে ফেরত আসে, তখন প্রথমেই জানতে হবে বাউন্স হওয়ার কারণ কী। সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান জেলা শিক্ষা অফিস বা মাউশি (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর) থেকে একটি “EFT Salary Bounce Report” পান, যেখানে প্রতিটি বাউন্সের কারণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ থাকে—যেমন, অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল, নাম না মেলা, রাউট নম্বর ত্রুটি, বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকা ইত্যাদি। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রথম ধাপে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীকে নিজের ব্যাংকে গিয়ে অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য যাচাই করতে হয়। তিনি ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজের অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাংকের নাম, শাখার নাম ও রাউটিং নম্বর সঠিকভাবে লিখে নিতে পারেন। এবং ব্যাংকে আপনার একাউন্ট সম্পর্কিত যে কোন প্রকার তথ্য যে তথ্যগুলো আপনিই তাদের কাছে প্রদান করেছেন বা ব্যাংকের নিজস্ব তথ্য সেগুলো সঠিকভাবে আপনি তাদের কাছে থেকে নিয়ে সেগুলো চেক করে নিন। ব্যাংকের সিল ও কর্মকর্তার স্বাক্ষরসহ একটি প্রত্যয়নপত্র (Account Verification Certificate) নেওয়া সবচেয়ে ভালো। এতে পরবর্তীতে কোনো বিভ্রান্তি থাকে না।

দ্বিতীয় ধাপে, প্রতিষ্ঠান প্রধান বা প্রধান শিক্ষক মাউশির EMIS বা EFT পোর্টালে লগইন করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ব্যাংক তথ্য হালনাগাদ করেন। যদি নামের বানান ভুল থাকে, সেটিও সংশোধন করতে হয়। এ সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)-এ থাকা নামের বানান অনুযায়ীই তথ্য দিতে হয়, কারণ EFT সিস্টেমে নাম ও NID পুরোপুরি মিলতে হয়। মুলকথা ইএফটির ‍Salary bounce অপশনে অত্র প্রতিষ্ঠানের যে শিক্ষকের যে ভুল প্রদর্শিত হচেছ সেটি সংশোধিত করতে হবে।

এরপর সংশোধিত তথ্যসহ প্রধান শিক্ষক বা সুপারিনটেনডেন্ট জেলা শিক্ষা অফিসে রিপোর্ট পাঠান, যেখানে জেলা শিক্ষা অফিস তথ্য যাচাই করে তা মাউশিতে পাঠায়। মাউশি যাচাই-বাছাই শেষে নতুন করে EFT বেতন ফাইল তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠায়। তখন সংশোধিত তথ্য অনুযায়ী বেতন পুনরায় পাঠানো হয় এবং তা শিক্ষকের অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

অন্যদিকে, যদি কোনো শিক্ষক নতুন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন বা পুরনো ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তাকে অবশ্যই নতুন ব্যাংকের নাম, শাখা ও রাউটিং নম্বর আপডেট করতে হবে। অনেক সময় শিক্ষক নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেন, অথচ EFT সিস্টেমে পুরনো তথ্যই থেকে যায়—ফলে প্রতিবার বাউন্স হয়। তাই এই ক্ষেত্রে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার পর যত দ্রুত সম্ভব EFT পোর্টালে তথ্য পরিবর্তন করতে হবে।

সবশেষে, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধান উভয়কেই নিয়মিত EFT তালিকা ও বাউন্স রিপোর্ট মনিটর করতে হবে। যদি ধারাবাহিকভাবে বেতন বাউন্স হয়, তাহলে জেলা শিক্ষা অফিস বা মাউশির সংশ্লিষ্ট শাখায় সরাসরি যোগাযোগ করা উচিত। প্রয়োজনে সেখানে একটি আবেদনপত্র দিয়ে ত্রুটি সমাধানের অনুরোধ জানানো যায়।

সংক্ষেপে বলা যায়, EFT Salary Bounce সমস্যার সমাধান তিনটি ধাপে—(১) ত্রুটি শনাক্তকরণ, (২) সঠিক ব্যাংক তথ্য সংগ্রহ ও আপডেট, এবং (৩) সংশোধিত তথ্য মাউশি বা জেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে পুনরায় EFT প্রেরণ। সব তথ্য সঠিকভাবে দিলে পরবর্তী মাস থেকেই বেতন স্বাভাবিকভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme