1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

নতুন বেতন কাঠমোতে গ্রেড কমানো নিয়ে একমত পে কমিশন কতটি গ্রেড হতে পারে?

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৭০ Time View
নতুন বেতন কাঠমোতে গ্রেড কমানো নিয়ে একমত পে কমিশন কতটি গ্রেড হতে পারে?

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো তৈরির কাজ জোরেশোরে এগিয়ে নিচ্ছে পে কমিশন। বিদ্যমান বেতন কাঠামোয় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের মধ্যে যে বৈষম্য রয়েছে, তা কমানোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে কমিশন। এজন্য বর্তমান ২০-গ্রেডের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে গ্রেড সংখ্যা কমানোর বিষয়ে কমিশনের সদস্যরা নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন।

পে কমিশনের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, কমিশন গঠনের অন্যতম লক্ষ্যই হলো সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বৈষম্য হ্রাস করা। এ কারণে গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে বেতন কাঠামো আরও সুষম করা হবে—এটি নিশ্চিত। তবে কতটি গ্রেডে নামিয়ে আনা হবে বা সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

কমিশনের সদস্যদের ভাষায়, “যে প্রেক্ষাপটে কমিশন গঠন করা হয়েছে, সেটির মূল উদ্দেশ্য হলো বৈষম্য দূর করা। এজন্য গ্রেড সংখ্যা কমানো ছাড়া বিকল্প নেই। তবে সেটি হবে যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবসম্মতভাবে।”

অনলাইনে বিভিন্ন সংগঠন, সমিতি ও নাগরিকদের কাছ থেকে মতামত গ্রহণের পর বর্তমানে কমিশন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছে। সংগঠনের সংখ্যা বেশি হওয়ায় কমিশনের সদস্যরা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে এসব বৈঠক পরিচালনা করছেন।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে দুই হাজারেরও বেশি সংগঠন ও ব্যক্তি নতুন পে স্কেল বিষয়ে মতামত দিয়েছেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ সংগঠনকে সরাসরি মতবিনিময়ের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে এখনো অনেক সংগঠন মতবিনিময়ে অংশ নিতে আবেদন করছে। সব সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা শেষ হবে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে। এরপর কমিশন প্রাপ্ত মতামত বিশ্লেষণ করে সুপারিশের খসড়া তৈরি করবে এবং সদস্যদের সম্মতিতে তা চূড়ান্ত করা হবে।

কমিশনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান সরকার বলেন, “১৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। এখন বিভিন্ন সমিতি ও সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় চলছে, যা ৩০ অক্টোবর শেষ হবে। এরপর আমরা বসে চূড়ান্ত সুপারিশের দিকে যাব।”

তিনি আরও জানান, কমিশনকে সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। তাই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করলেও যত দ্রুত সম্ভব নতুন বেতন কাঠামো সুপারিশ করার লক্ষ্যেই সবাই কাজ করছেন।

বর্তমানে কমিশন সাধারণ নাগরিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন ও সমিতির কাছ থেকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে মতামত গ্রহণ করেছে। অনলাইন প্রশ্নপত্রে কমিশনের ৫ নম্বর প্রশ্নে সরাসরি জানতে চাওয়া হয়েছিল—“আপনি কি ২০-গ্রেডের বেতন কাঠামোর পক্ষে?” এরপর আরেক প্রশ্নে অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়—“আপনার পছন্দের গ্রেড সংখ্যা কত এবং কেন?”

সবশেষে কমিশনের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, নতুন বেতন কাঠামো হবে “বৈষম্যহীন, বাস্তবসম্মত ও কর্মক্ষমতাভিত্তিক”—যাতে মেধাবী তরুণরা সরকারি চাকরিতে আগ্রহী হয় এবং বিদ্যমান কর্মকর্তাদের মধ্যেও উৎসাহ সৃষ্টি হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme