বেসরকারি এমপিওভুক্ত বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে অসঙ্গতি থাকায় সংশ্লিষ্টদের নামের বানান সংশোধন এবং বাংলা ভাষায় থাকা দাখিল/এসএসসি সনদ ইংরেজিতে রূপান্তর করে পুনরায় আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো. শামিউল ইসলাম প্রামানিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মাধ্যমে অধিদপ্তরে জমা দেওয়া হচ্ছে। এসব আবেদন পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে, সংযুক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত অনেক আবেদনকারীর দাখিল/এসএসসি সনদে উল্লেখিত নামের বানানের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)-এ থাকা নামের বানানের মিল নেই।
এছাড়া অনেক আবেদনকারীর দাখিল/এসএসসি সনদ এবং এনআইডি—উভয় নথিতেই নামের বানানে ভুল রয়েছে। একই সঙ্গে দেখা গেছে, অনেক শিক্ষক-কর্মচারীর দাখিল/এসএসসি সনদ এখনও বাংলা ভাষায় রয়েছে, যা আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, দাখিল/এসএসসি সনদ ও এনআইডিতে নামের বানানে অসঙ্গতি এবং বাংলা ভাষায় থাকা সনদের কারণে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন বর্তমানে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের প্রথমে দাখিল/এসএসসি সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা নামের ভুল বানান যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে। পাশাপাশি, বাংলা ভাষায় থাকা দাখিল/এসএসসি সনদ ইংরেজি সংস্করণে পরিবর্তন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে পুনরায় জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের মতে, প্রয়োজনীয় এসব সংশোধন সম্পন্ন করে পুনরায় আবেদন দাখিল করা হলে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য বিবেচনা করা হবে।
Leave a Reply