বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নবম গণবিজ্ঞপ্তিতে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য মোট ৬ হাজার ১৯২টি শূন্যপদ সংরক্ষণ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এসব পদ ইবতেদায়ি, স্কুল, মাদরাসা, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিষয়ে বণ্টন করা হয়েছে। নবম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যোগ্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে এসব পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হবে।
প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী, বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শূন্যপদ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইবতেদায়ি পর্যায়ে ভাষা (বাংলা ও ইংরেজি) বিষয়ে শিক্ষক পদ রয়েছে ৪৪৪টি। একই পর্যায়ে কুরআন ও তাজবিদ, ফিকহ ও আরবি বিষয়ে ইবতেদায়ি মৌলভী পদ সংরক্ষণ করা হয়েছে ৪৬টি। এছাড়া কারিগরি শিক্ষার আওতায় বিভিন্ন ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদেও একাধিক শূন্যপদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
স্কুল ও মাদরাসা পর্যায়ের তালিকায় দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে ইংরেজি বিষয়ে। এ বিষয়ে মোট ১ হাজার ৫৯টি পদ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এর পরেই রয়েছে আরবি (মাদরাসা) বিষয়ে ৭১২টি পদ। এছাড়া সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে ৫৬৫টি, কৃষি বিষয়ে ২৬৯টি, কম্পিউটার বিজ্ঞান/আইসিটি বিষয়ে ২৬৭টি, পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে ২৬৬টি, ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে ২১৮টি এবং বাংলা বিষয়ে ২১৬টি শূন্যপদ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে বিষয়ভিত্তিক প্রভাষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদ সংরক্ষণ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ৪৮৭টি প্রভাষক পদ রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে। এছাড়া আরবি বিষয়ে ২৫৮টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে ৯৮টি, বাংলা বিষয়ে ৮১টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে ৭৯টি, গণিত বিষয়ে ৬৭টি, ইংরেজি বিষয়ে ৬১টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে ৫৪টি, রসায়ন বিষয়ে ৪৬টি, অর্থনীতি বিষয়ে ৪৩টি, হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে ৩৮টি এবং পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে ৩৩টি প্রভাষক পদ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, নবম গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় সংরক্ষিত এসব শূন্যপদের ভিত্তিতেই ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ, মেধা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই এবং পরবর্তীতে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে। বিষয়ভিত্তিক এই শূন্যপদের তালিকা প্রার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
Leave a Reply