1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

পে স্কেল বাস্তবায়নে যে বিষয় নিয়ে আজ আবারও মিটিংয়ে বসতে যাচ্ছে সচিব কমিটি

  • Update Time : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৭ Time View
পে স্কেল বাস্তবায়ন

জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের অনলাইন বেতন নির্ধারণী সফটওয়্যার আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) সিস্টেমে নতুন বেতন কাঠামো সমন্বয় করা নিয়ে নতুন করে জটিলতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রাথমিকভাবে যেভাবে দুই ধাপে মূল বেতন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করলে সফটওয়্যার পরিচালনায় বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে সরকারের গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিকে।

এ পরিস্থিতিতে বিষয়টির সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে আজ সোমবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। বৈঠকে নতুন জাতীয় পে-স্কেলের বাস্তবায়ন পদ্ধতি, সফটওয়্যার সমন্বয়, আর্থিক সক্ষমতা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, শুরুতে সরকারের পরিকল্পনা ছিল নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর মূল বেতন দুই ধাপে কার্যকর করার। কিন্তু এ ধরনের ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আইবাস প্লাস প্লাস সিস্টেমে বেতন নির্ধারণ, ইনক্রিমেন্ট, গ্রেডভিত্তিক হিসাব, ভাতা সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে এখন একবারেই মূল বেতন কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে আজকের সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা গেছে, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করার জন্য সরকার যে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে, সেই কমিটিই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। তবে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় ইতোমধ্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে, জাতীয় বেতন কমিশনের দেওয়া সব সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়ন নাও হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন এনে বাস্তবসম্মত একটি কাঠামো চূড়ান্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে।

আজকের সভায় নতুন পে-স্কেল সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় আসবে। বিশেষ করে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করলে সরকারের ওপর কী পরিমাণ আর্থিক প্রভাব পড়বে, বাস্তবায়নের সময়সূচি কী হবে, বিদ্যমান বেতন কাঠামোর সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করা হবে, বিভিন্ন ক্যাডার এবং বিভিন্ন শ্রেণির চাকরিজীবীদের মধ্যে বেতন বৈষম্য ও ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি কোন কোন সুপারিশ অপরিবর্তিত রাখা হবে, কোথায় সংশোধন আনা হবে এবং পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নের রোডম্যাপ কী হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করবেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হার কত হবে, সেটিও আজকের আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। যদিও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ বৈঠকেই বেতন বৃদ্ধির শতকরা হার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। তবে নতুন পে-স্কেলের মূল বেতন ১ জুলাই থেকেই কার্যকর হবে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনো তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মূল বেতন চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর করা হবে এবং পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন ভাতা ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাস্তবায়ন করা হবে।

নবম জাতীয় বেতন কমিশন তাদের সুপারিশে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন এক লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে সেই সুপারিশ চূড়ান্তভাবে কী আকারে বাস্তবায়ন হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যে প্রস্তাবগুলো আলোচনা হচ্ছে, তাতে ১ম থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত চাকরিজীবীদের মূল বেতন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধি ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারও বেশি হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। তবে এসব হার এখনো চূড়ান্ত নয় এবং সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরই নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme