দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ৯ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে খুব শিগগিরই এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৬৯ হাজার ৫৭৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
রবিবার (৬ জুলাই) সকালে এনটিআরসিএর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত সপ্তাহের শেষ দিকে ৯ম শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এনটিআরসিএ। অনুমতি মিললেই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতিমূলক কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাই অনুমতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিয়োগ কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপ শুরু করা হবে।
অধিদপ্তরভিত্তিক শূন্য পদের সংখ্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে এনটিআরসিএর ওই কর্মকর্তা বলেন, এই মুহূর্তে কোন অধিদপ্তরের অধীনে কতটি শূন্য পদ রয়েছে, সেই তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ এসব তথ্য চূড়ান্তভাবে প্রকাশের বিষয়টি গণবিজ্ঞপ্তির সঙ্গেই জানানো হবে।
তিনি জানান, শুরুতে বিভিন্ন শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৭৭ হাজারেরও বেশি শূন্য পদের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে এসব তথ্য বিস্তারিতভাবে যাচাই-বাছাই ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয়। সেই প্রক্রিয়া শেষে ৭৫ হাজার ৭৬৯টি শূন্য পদের তথ্য সঠিক বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত মোট শূন্য পদের মধ্যে ৬ হাজার পদ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। ফলে অবশিষ্ট ৬৯ হাজার ৫৭৭টি পদে ৯ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ৯ম গণবিজ্ঞপ্তির অপেক্ষায় থাকা নিবন্ধনধারী প্রার্থীদের মধ্যে এ খবরে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই বহুল প্রতীক্ষিত এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ।
Leave a Reply