1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

বেসরকারী শিক্ষকদের ১ম এমপিওভুক্তির তারিখ কোনটি হবে জানাল মাউশি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ৫৩০ Time View
মাউশি (1)

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য প্রথমবারের মতো বদলি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে বদলির ক্ষেত্রে চাকরির অভিজ্ঞতা বা জ্যেষ্ঠতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে ‘প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ’ নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা যোগদানের তারিখ নাকি এমপিওভুক্তির তারিখ—কোনটি তাদের প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ হিসেবে বিবেচিত হবে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ নির্ধারণে সব শিক্ষকের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। এটি নির্ভর করবে শিক্ষক কবে এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং তিনি যোগদানের তারিখ থেকে বকেয়া বেতন পেয়েছেন কি না—এসব বিষয়ের ওপর।

মাউশির কর্মকর্তারা জানান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া কোনো শিক্ষক যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদানের দিন থেকেই এমপিওভুক্ত হতে পারেন, তাহলে তার যোগদানের দিনটিকেই প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ হিসেবে গণ্য করা হবে। অর্থাৎ যোগদান এবং এমপিওভুক্তি একই সময়ে কার্যকর হলে ওই তারিখই বদলির ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ভিত্তি হবে।

অন্যদিকে, কোনো শিক্ষক যদি যোগদানের পরপরই এমপিওভুক্ত না হয়ে তিন মাস বা তারও পরে এমপিওভুক্ত হন, তাহলে সাধারণভাবে তিনি যেদিন এমপিওভুক্ত হয়েছেন, সেই দিনটিকেই প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ হিসেবে ধরা হবে। তবে এ ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে, যা বকেয়া বেতন পাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ নিয়ে শিক্ষকদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। একজন শিক্ষক যখন ইনডেক্স নম্বর পান, তখন থেকেই মূলত তার প্রথম এমপিওভুক্তির বিষয়টি বিবেচনায় আসে। তবে অনেক সময় বিভিন্ন কারণে শিক্ষক কিছুটা দেরিতে এমপিওভুক্ত হন। এমন পরিস্থিতিতে যদি তিনি যোগদানের সময় থেকে বকেয়া বেতন পান, তাহলে যে মাস থেকে সেই বকেয়া কার্যকর হয়েছে, সেটিকেই তার প্রথম এমপিওভুক্তির সময় হিসেবে ধরা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধরা যাক, একজন শিক্ষক কোনো স্কুল বা কলেজে যোগদানের সাত মাস পর এমপিওভুক্ত হয়েছেন। কিন্তু এমপিও অনুমোদনের সময় যদি তিনি যোগদানের তারিখ থেকে সাত মাসের সম্পূর্ণ বকেয়া বেতন পান, তাহলে তার প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ হিসেবে যোগদানের দিনটিই বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কেবল এমপিও আদেশ জারির তারিখ নয়, বকেয়া বেতন কার্যকরের সময়ও এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

এদিকে, বহু প্রতীক্ষিত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন গ্রহণ আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শেষে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষকরা নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদানের সুযোগ পাবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাউশির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ২০ জুলাই থেকে বদলির আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং এ কার্যক্রম চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। আবেদন গ্রহণ শেষে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে জুলাই মাসের শেষ দিকে অথবা আগস্ট মাসের একেবারে শুরুতে বদলির আদেশ জারি করা হতে পারে। এতে শিক্ষকরা নিজ জেলা অথবা স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলের নিকটবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ পাবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘বর্তমানে ১৫ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষকদের তথ্য যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্তকরণের কাজ চলবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই বদলির আবেদন গ্রহণ শুরু করা হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জুলাই মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা।’

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশির আরেক কর্মকর্তা জানান, ‘আগামী ২০ জুলাই থেকে শিক্ষকদের বদলির আবেদন গ্রহণ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ২৫ জুলাই পর্যন্ত রাখা হতে পারে। এরপর আবেদন যাচাই-বাছাই শেষ করে মাত্র তিন থেকে সাত দিনের মধ্যেই বদলির আদেশ জারি করা সম্ভব হতে পারে। ফলে শিক্ষকরা খুব দ্রুত নিজ জেলা কিংবা পারিবারিক প্রয়োজন অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ পাবেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme