1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

রাজস্ব তহবিল হতে ১০ কোটি টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গে যা জানালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

  • Update Time : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ১২১ Time View
হাসনাত আব্দুল্লাহ (1)

জেলা পরিষদ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া কুমিল্লার জন্য ১৫ কোটি টাকা এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন। তার এমন বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।

তবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের এ অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা দ্বারা মূলত উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ নেওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। কিন্তু এ অর্থ কোনো ব্যক্তিগতভাবে তাকে দেওয়া হয়নি কিংবা তিনি নিজের নামে গ্রহণ করেননি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, উপজেলার উন্নয়নের জন্য যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়, তা কোনো ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধিকে সরাসরি দেওয়া হয় না। বরং সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে সেই অর্থ ব্যয় করা হয়। তিনি বলেন, “উপজেলার জন্য বাজেটের টাকা তো আমাকে দেওয়া হয়নি। এ বাজেট কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না। দেওয়া হয়েছে উপজেলাকে।”

জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের মনে হতে পারে যে বরাদ্দকৃত অর্থ তিনি বা সংশ্লিষ্টরা ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করেছেন কিংবা নিজেদের পকেটে নিয়েছেন। অথচ বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তিনি বলেন, দেবীদ্বার উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের জন্য এসব অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসক দাবি করেছেন, অর্থটি জেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি রাজস্ব খাতের কোনো বরাদ্দ নয়। এটি ছিল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রকল্পের আওতায় দেওয়া উন্নয়ন বরাদ্দ।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, দেবীদ্বার উপজেলায় কোন খাতে, কোন প্রকল্পে এবং কী পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। একইভাবে উপজেলা প্রশাসনের কাছেও ওই অর্থ কোথায়, কীভাবে এবং কোন কাজে ব্যয় করা হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব রয়েছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করা হলে বিষয়টি নিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর হবে। এতে জনগণও জানতে পারবে বরাদ্দকৃত অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে।

নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের প্রশ্নে নিজের অবস্থান তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তিনি দেবীদ্বার উপজেলার মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নিতে প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে কোথাও গিয়ে উন্নয়ন বরাদ্দ বা সহায়তা চাইতে হলেও তার কোনো আপত্তি নেই।

তিনি বলেন, “আমি আমার উপজেলার মানুষের জন্য কোথাও যদি কোনো কিছু ভিক্ষা চাইতে হয়, সেটি নিয়েও আমার আপত্তি নাই। কারণ, আমি তো আমার জন্য চাচ্ছি না। আমি মানুষের জন্য চাচ্ছি।”

সংসদ সদস্য আরও জানান, আলোচিত অর্থ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া একটি বিশেষ উন্নয়ন বরাদ্দ ছিল, যা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ অর্থ জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব তহবিলের নয়।

তিনি বলেন, দেবীদ্বার উপজেলার জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং এই অর্থ এডিপি প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়েছে। ফলে জেলা পরিষদের রাজস্ব আয়ের সঙ্গে ওই বরাদ্দের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্য এবং সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর ব্যাখ্যার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বরাদ্দকৃত অর্থের উৎস, ব্যয়ের খাত এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে এবং জনমনে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তিও দূর হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme