1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

চাকরি হারালেন যে সকল শিক্ষক

  • Update Time : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ১৫৫৯ Time View
চাকরি হারানো শিক্ষক

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার উজ্জীবনী ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইকবাল আলম বাবলুর বিরুদ্ধে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ওঠার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

অন্যদিকে খুলনার কয়রা উপজেলার চান্নির চক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কনোজ কুমার বাছাড় স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে ধার করে বড় অঙ্কের ঋণে জড়িয়ে পড়েন। দেনাদারদের ক্রমাগত চাপের মুখে পড়ে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়ে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মার্চ ছুটি নেন এবং এরপর আর বিদ্যালয়ে ফিরে আসেননি। ফলে তাকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

উপরোক্ত দুইটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার এই দুই শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। শুধু ইকবাল আলম বাবলু ও কনোজ কুমার বাছাড়ই নন, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আরও অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন শিক্ষককে চূড়ান্ত বরখাস্ত করেছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের অধিকাংশের ঘটনাই ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে মব কালচারের কারণে পদচ্যুত হওয়া দুই-একজন শিক্ষক পরবর্তীতে পুনরায় স্বপদে বহালও হয়েছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানান, এসব আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রক্রিয়াধীন ছিল এবং প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস আগে জমা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা আগে থেকেই সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ধাপে বোর্ডে আবেদন পাঠানো হয় এবং বোর্ড তা অনুমোদন করে। তিনি আরও বলেন, শুনানির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যেখানে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষ উপস্থিত ছিলেন এবং আপিল অ্যান্ড আরবিট্রেশন কমিটির মাধ্যমে শুনানি সম্পন্ন হয়। বোর্ডের আইনজীবীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ ও ধাপভিত্তিক ছিল। তার ভাষ্যমতে, মোট সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে মনে না থাকলেও আনুমানিক ১২ থেকে ১৩ জন শিক্ষক চূড়ান্ত বরখাস্ত হয়েছেন, যদিও বৈঠকে মোট ১৬টি আবেদন উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং এর মধ্যে কিছু আবেদন বাতিলও করা হয়।

চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত হওয়া অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন—দি ওল্ড কুষ্টিয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক হেলাল উদ্দিন, সাতক্ষীরা সদরের দেবহাটা উপজেলার টউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার ব্যানার্জী, খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কে আর আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিলন কুমার রায়, ঝিনাইদহের গোয়ালপাড়া বাজারের সালেহ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনি আক্তার এবং মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হারভাঙ্গার এইচ বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজু আহম্মেদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme