1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

বিএনপি সরে গেলে সংবিধান পুনর্লিখনের হুঁশিয়ারি: নাহিদ ইসলাম

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০৫ Time View
নাহিদ ইসলাম

সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে নাহিদ ইসলাম-এর ভাষ্য অনুযায়ী যদি বিএনপি সরে দাঁড়ায়, তাহলে আবারও নতুন সংবিধান প্রণয়ন বা বিদ্যমান সংবিধান পুনর্লিখনের দাবিতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন দেখা দেবে। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিএনপি যদি ১৯৭২ সালের সংবিধানের পক্ষে অনড় অবস্থান ধরে রাখে এবং সংস্কারের প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়, তাহলে বাধ্য হয়ে অন্য পক্ষকেও তাদের পূর্বের অবস্থানে ফিরে যেতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনের বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব বক্তব্য দেন। ওই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে ৫ই আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ৫ই আগস্টের পর যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে সংস্কারের আলোচনা সামনে আসে, তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে নতুন সংবিধান প্রণয়ন বা সংবিধান পুনর্লিখনের দাবি জানানো হয়েছিল। অন্যদিকে বিএনপি তখন তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানায় যে, তারা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে আগ্রহী। ফলে ৫ই আগস্টের পর থেকেই দুই পক্ষের রাজনৈতিক পথ আলাদা হয়ে যায়।

তিনি আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, পরবর্তীতে উভয় পক্ষ একটি মধ্যপন্থায় এসে সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায়। সেই ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সংস্কার কমিশন গঠন এবং আলোচনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়। এমনকি গণভোটের মাধ্যমে একটি সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টিও সামনে আসে। কিন্তু বর্তমানে বিএনপি সেই সম্মত অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম সতর্ক করে বলেন, যদি বিএনপি এই অবস্থান থেকে সরে যায়, তাহলে তাদের পক্ষেও আগের দাবিতে ফিরে যাওয়া ছাড়া বিকল্প থাকবে না। অর্থাৎ, আবারও সংবিধান পুনর্লিখনের দাবিই সামনে চলে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি যদি ১৯৭২ সালের সংবিধানের পক্ষে কঠোর ও অটল অবস্থান বজায় রাখে, তাহলে রাজনৈতিক সমাধানের পথ সংকুচিত হয়ে যাবে এবং নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হবে।

এ সময় তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান সম্পর্কে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, ওই সংবিধান ছিল মূলত একটি অগণতান্ত্রিক কাঠামোর, যেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা একজন ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, সেই ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ থেকেই দেশে ফ্যাসিবাদী প্রবণতার উদ্ভব হয়েছে।

সবশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠন করবে এবং চলমান রাজনৈতিক সংকটের একটি গ্রহণযোগ্য ও টেকসই সমাধান বের করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme