সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর করার প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান বিরোধীদলীয় হুইপ ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে বয়সসীমা ৩৫ বছর করার প্রস্তাব দেওয়া হলেও সরকারি দল সেটিকে আলাদা বিল আকারে সংসদে তোলার পরামর্শ দিয়েছে।
বৈঠকে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর করার জন্য জারি করা অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে বিরোধী দল জামায়াতের এমপিরা বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। এ বিষয়ে সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে সবাই একমত হলেও নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ নিয়ে আরও আলোচনা করে সেটি নতুন বিল হিসেবে সংসদে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণে কমিটির সবাই একমত হয়েছেন। পাশাপাশি গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধনী) অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ নিয়েও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি বিষয়ে ইতোমধ্যে ঐকমত্য গড়ে উঠেছে।
প্রথম দিনের বৈঠকে ২৭টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে মাত্র পাঁচটি ছাড়া বাকি অধিকাংশ অধ্যাদেশের বিষয়ে কমিটি একমত হয়েছে। আলোচিত অধ্যাদেশগুলো সুপারিশ আকারে সংসদে উত্থাপন করার ব্যাপারেও কমিটি সম্মত হয়েছে।
Leave a Reply