1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার

  • Update Time : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৯ Time View
এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার

এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত সংগ্রহ করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডে আলাদা আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিবর্তে আবারও অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর বিষয়ে সরকার ভাবছে। তার মতে, দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি সমান মানদণ্ড থাকা জরুরি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেসব বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, সেগুলো সাধারণত একই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে নেওয়া হয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশেও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব এবং তা চালুর বিষয়ে আগামী বছর থেকেই বাস্তবায়নের চিন্তাভাবনা চলছে।

তবে এই প্রস্তাব নিয়ে শিক্ষাঙ্গনে ভিন্নমতও রয়েছে। রাজধানীর এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, যেহেতু সারা দেশের জন্য একই সিলেবাস নির্ধারিত, তাই শিক্ষার্থীরা যদি যথাযথভাবে সেই সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়, তাহলে প্রশ্নপত্র ভিন্ন বা অভিন্ন হওয়া খুব বড় বিষয় নয়। কিন্তু সমস্যা দেখা দিতে পারে উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষক মূল্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন, ফলে মূল্যায়নের মান একরকম থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়।

প্রশ্নপত্রের ধরন পরিবর্তনের পেছনে অতীতের কিছু অভিজ্ঞতাও রয়েছে। জানা যায়, দেশে সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি চালুর পর শুরুতে সৃজনশীল বিষয়গুলোর পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নপত্রেই নেওয়া হতো। কিন্তু ২০১৪ সালের পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের একাধিক ঘটনার কারণে এই পদ্ধতি থেকে সরে এসে শিক্ষা বোর্ডগুলো আলাদা আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে।

অন্যদিকে, অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টিও সামনে আসছে। অনেক শিক্ষক মনে করেন, যদি দেশের কোনো একটি স্থানে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবস্থায় তা দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিপরীতে, আলাদা প্রশ্নপত্রের ক্ষেত্রে কোনো একটি বোর্ডের প্রশ্ন ফাঁস হলেও তা সীমিত পরিসরে থাকে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।

সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে সরকার এখন অভিন্ন প্রশ্নপত্র পদ্ধতি চালুর সম্ভাবনা, সুবিধা-অসুবিধা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি—সব দিক বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme