1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
Title :
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি

এমপিও শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য নিতে টেলিটককে যে নির্দেশনা দিল এনটিআরসিএর

  • Update Time : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩০৬ Time View
এমপিও শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য নিতে টেলিটককে যে নির্দেশনা দিল এনটিআরসিএর

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের নতুন উদ্যোগ নিয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) এনটিআরসিএ সূত্র জানিয়েছে, সংস্থাটি চায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করতে। এজন্য সম্প্রতি টেলিটকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দ্রুত সময়ের মধ্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করে এনটিআরসিএকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়ে গেলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।

এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে প্রস্তুত রয়েছে। টেলিটক থেকে প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুতের সবুজ সংকেত পাওয়া মাত্রই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে শূন্য পদের তথ্য পাঠাতে বলা হবে।

অন্যদিকে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, ১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতেই অনুষ্ঠিত হবে। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে পরীক্ষায় লিখিত পদ্ধতি চালুর যে খবর ছড়িয়েছে তা সঠিক নয়।

তিনি বলেন, “১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে তা সার্কুলারেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। সেখানে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার কোনো কথা বলা হয়নি। ফলে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ২০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দফায় ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও পরে তা বাড়িয়ে ১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। এখন পরবর্তী ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন শুরু করবে এনটিআরসিএ।

নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তন

নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি—এই তিন বিভাগের জন্য ২০০ নম্বরের পরীক্ষার কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে। শুরুতে প্রস্তাব ছিল, স্কুল-কলেজ ও কারিগরি বিভাগের জন্য ১০০ নম্বর সাবজেক্টিভ ও ১০০ নম্বর জেনারেল, আর মাদ্রাসা বিভাগের জন্য ১৪০ নম্বর সাবজেক্টিভ ও ৬০ নম্বর জেনারেল রাখা হবে।

তবে এভাবে আলাদা নম্বর বিভাজন করলে তিন বিভাগের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই বর্তমানে তিন বিভাগের জন্য একই ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতি রাখার চিন্তা করা হচ্ছে, যাতে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়।

এছাড়া নতুন বিধিমালায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রথমবারের মতো নিবন্ধন পরীক্ষায় ভাইভার নম্বর যুক্ত করা। এতদিন এনটিআরসিএর নিবন্ধন পরীক্ষায় লিখিত বা এমসিকিউ থাকলেও ভাইভা নেওয়া হতো না। নতুন বিধিমালায় ভাইভার নম্বর যুক্ত করার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

আরেকটি নতুন সিদ্ধান্ত হলো—১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকেই প্রার্থীদের বয়স গণনা করা হবে। এর ফলে বয়সসংক্রান্ত জটিলতা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে, শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme