1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

ডঃ মুহম্মদ ইউনুসের ঋণগাঁথা

  • Update Time : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮৫ Time View
ডঃ মুহম্মদ ইউনুসের ঋণগাঁথা

ক্ষমতার প্রথম বছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন দিতে বিদেশ থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছেন ইউনূস সরকার। যাকে অব্যবস্থাপনার চরম দৃষ্টান্ত বলছেন বিশ্লেষকরা। অর্থনীতি সম্পর্ক বিভাগ ইআরডির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।।

রবিবার (৮ মার্চ) বেসরকারি টেলিভিশনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নেওয়া ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণের ৪ বিলিয়নই ছিল পরিচালনা ব্যয় মেটানোর জন্য, যাকে অব্যবস্থাপনার চরম দৃষ্টান্ত বলছেন বিশ্লেষকরা। তবে দেশের সরাসরি উন্নয়নের বদলে এই ঋণের সবচেয়ে বড় অংশ চলে গেছে সাধারণ সরকারি সেবায় যার পরিমাণ ৪ বিলিয়ন ডলার।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিদেশ থেকে টাকা এনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়াকে ভালো চোখে দেখছেন না এই অর্থনীতিবিদরা। কিন্তু এখানে যে, প্রশ্নটা আসে তা হলো ড. মুহম্মদ ইউনুস ঋণ করে তো আর বিদেশে পাড়ি জমাননি বা নিজের ব্যাক্তিগত কাজে খরচ করেননি। আজ যারা সমালোচনা করছেন তাদের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে খোঁজ খবর করেন দেখবেন তারা ঋণ করে নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন বা করার পাঁয়তারা করছেন। যারা দেশের নামে ঋণ নিয়ে সেই টাকা নিয়ে বিদেশে পালিয়েছেন আমরা তাদের কথা কিন্তু বেমালুম ভুলে যাচ্ছি বা আমাদেরকে তাদের কুকৃর্তীর কথা ভুলানোর জন্য ড. মুহম্মদ ইউনুসের এই ঋণের বিষয়টা সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা। আসলে আমাদের এই দেশে যারা ব্যতিক্রমী কিছু ভাবার চেষ্টা করে তাদের পিছনে লেগে যায় এদেশের ছাপড়ি কিছু সুশীল রয়েছে যারা কিনা একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকে।

এই অর্থটা যে ব্যয় হয়েছে এটা পরিশোধ করার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রকল্পের বাইরে থেকে অর্থ আসে বাজেট সহায়তা হিসেবে। স্বাধীনতার পর থেকে এখনো পর্যন্ত যার পরিমাণ ১৪.৫ বিলিয়ন ডলার। অবাক করা তথ্য হলো এর মধ্যে ৪ বিলিয়ন নিয়েছে ইউনূস সরকার।
তথ্য সূত্রে, ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সরকারের মোট বিদেশি ঋণ ছিল ৭৭ বিলিয়ন ডলার যা জিডিপির ১৯ শতাংশ।

আপাতদৃষ্টিতে এই হার ঝুঁকিপূর্ণ না হলেও সম্প্রতি সতর্ক থাকার কথা বলেছে বিশ্বব্যাংক এবং ঋণ ফাঁদ এড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘তারা আসলে খুবই কনজারভেটিভ একটা পজিশন নিয়েছিল এনুয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে। ওই সময়ে যে ৯ বিলিয়ন ডলারের ওপরে এসেছে এটার বড় অংশটা হলো বাজেট সাপোর্ট বা বাজেট সহায়তা। এই একই ধারাবাহিকতায় আমরা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং এডিবি তাদের সঙ্গে বাজেট সাপোর্টের চুক্তিতে গেছি।’

তিনি বলেন, ‘যেটার ফলে আমাদের প্রায় চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার গত ওই অর্থবছরে আমাদের ছাড় হয়েছে।

সরকারের হাতে টাকা কম সেটা না যতটা কারণ ছিল তার চেয়ে বড় কারণ ছিল ফরেন রিজার্ভকে দ্রুত একটা স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে আসা।’

পরিশেষে যে কথাটা বলব তা হলো ড. ইউনুস তার বিকল্প তিনি নিজেই যদি পারেন তার বিকল্প হয়ে দেখান তারপরে তার সমালোচনা করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme