বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) সনদ জাল করার অভিযোগে এক শিক্ষকের এমপিও সুবিধা বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়, যেখানে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক সুমন চন্দ্র সরকার নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলা-য় অবস্থিত মোহনগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়-এ ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি নিজেকে ২০১১ সালের ৭ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দাবি করলেও যাচাই-বাছাইয়ে তার সনদ জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।
এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক ফিরোজ আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটির পরিদর্শনকালে শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান অনুবিভাগের সদস্য (যুগ্মসচিব) বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেখানে কর্মরত ১৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই শেষে দেখা যায়, সুমন চন্দ্র সরকারের রোল নম্বর ৩০৪২২৯০২ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১০০০০৭৭৩২৫ সংবলিত ৭ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রত্যয়নপত্রটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সুমন চন্দ্র সরকারের ইনডেক্স নম্বর N56796910-এর এমপিও বাতিলের পাশাপাশি জাল সনদের মাধ্যমে গ্রহণ করা সরকারি অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply