এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ ছাড়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বেতনের টাকা হাতে পেতে যাচ্ছেন বলে আশা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর–এর কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) পর্যায়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের (লট-১) বেতন ও ভাতাদির সরকারি অংশ হিসেবে মোট এক হাজার বত্রিশ কোটি চব্বিশ লাখ আশি হাজার তিনশত পাঁচ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হবে।
এর আগে বেতন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনলাইনে বিল সাবমিট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ ইএফটিতে প্রেরণ না হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।
সংক্রান্ত চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এমপিওর অর্থ ইএফটির মাধ্যমে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রতি মাসে যথাসময়ে অনলাইনে বিল সাবমিট না করা হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ ইএফটিতে পাঠানো হবে না। এছাড়া সাবমিট করা বিলের কপি ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতির স্বাক্ষরসহ সংরক্ষণ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জানানো হয়, ১ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্থ ইএফটি পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে এবং জুলাই মাস পর্যন্ত সরাসরি তাদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হয়েছে। তবে আগস্ট মাস থেকে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাসভিত্তিক এমপিওভুক্ত জনবলের বিল অনলাইনে সাবমিট করার ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে তার প্রতিষ্ঠানের এমপিও সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগইন করে বিল দাখিল করতে হবে। সংযুক্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য পৃথকভাবে বিধি মোতাবেক প্রাপ্য এমপিওর অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
Leave a Reply