বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। এ নিয়োগে মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সর্বশেষ এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, সমগ্র শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ কিংবা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না। এ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমানে মোট ৮ হাজার ২৯৯টি শূন্যপদ রয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি) এর প্রধান শিক্ষক পদের জন্য প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রির পাশাপাশি বিএড ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ কিংবা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি আবেদনকারীকে মাধ্যমিক বা নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্ত পদে ন্যূনতম ১০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ পদটি অষ্টম গ্রেডভুক্ত এবং শূন্যপদের সংখ্যা ৫০৪টি।
মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) প্রধান শিক্ষক পদের জন্যও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রিসহ বিএড ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকতে হবে। বিকল্প হিসেবে ইনডেক্সধারী সহকারী প্রধান শিক্ষক অথবা নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং এমপিওভুক্ত পদে মোট অন্তত ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১৭ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে। এ পদটি সপ্তম গ্রেডভুক্ত এবং শূন্যপদের সংখ্যা ৩ হাজার ৯২৩টি।
অন্যদিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) এর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের জন্য প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রিসহ বিএড ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএ কিংবা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না। পাশাপাশি প্রার্থীকে মাধ্যমিক বা নিম্ন-মাধ্যমিক পর্যায়ে ইনডেক্সধারী শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্ত পদে ন্যূনতম ১০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ পদটি অষ্টম গ্রেডভুক্ত।
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ও নীতিমালা যথাসময়ে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
এদিকে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে গত ২৯ জানুয়ারি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনটি অধিদপ্তরের আওতাধীন শূন্যপদে আগামী ৩ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার আবেদনপত্রের লিংক সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট https://ntrca.gov.bd এবং http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
Leave a Reply