এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটির মাধ্যমে বেতন প্রদানের ধারাবাহিকতায় আজ রবিবার থেকে আবার শুরু হচ্ছে অপেক্ষার পালা। প্রতিদিন শুধু অপেক্ষা অপেক্ষা আর অপেক্ষা কবে কখন কোনদিন বেতন ব্যাংক একাউন্টে জমা হবে। অপক্ষোর জ্বালা যে কত কষ্টকর যে বা যারা এর বিড়ম্বনায় পড়ে একমাত্র সেই তা বুঝে।
যাই হোক যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলাম যে, তা হলো ৩য় ধাপের বেতন প্রত্যাশিদের পেমেন্ট তালিকা প্রকাশ করেছেন ভালো কথা। তারা একটু হলেও মনে সান্তনার খোরাক পেয়েছে। যে তারা বেতন পাবে যখনই হোক। কিন্তু এই সান্তনা নিয়ে তো বেশি দিন থাকা যায় না। তাই বলছি যত দ্রুত সম্ভব হয় তাদের বেতন ব্যাংক একাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে প্রেরণ নিয়ে মাউশির আন্তরিকতার যে যথেষ্ট অভাব রয়েছে তা তো আর বুঝতে সেমিনার করার প্রয়োজন নাই। এটা দিবালোকের মত সবার কাছে পরিস্কার। মাউশি যদি আন্তরিক হত তাহলে আজ এত জটিলতার সৃষ্টি হতই না। সবার কথা বাদ দিলেও সকলের তথ্য উপাত্ত ঠিক নেই এটা ঠিক। কিন্তু মাউশি ইচ্ছা করলেই ৩ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন একসাথে দিতে পারত অনায়াসে। হয়ত স্বাভাবিক নিয়মে গেলেও ১ মাস দেরি হত। অথ্যাৎ ফেব্রুয়ারী মাস থেকে শুরু করতে পারত। তাতে কিন্তু এই ১ম ধাপ, ২য় ধাপ ও ৩য় ধাপের বিড়ম্বনা হতো না।
মাউশির সিদ্ধান্ত হীনতা
যাক এখন আসি অন্য আর এক প্রসংগে যদিও একথা আমি আরও আগেও বলেছি তা হল। দয়া করে যাদের সংশোধনী লাগবে তাদের কি কি সংশোধনী লাগবে কোন সংশোধন কি প্রসেসে সংশোধিত করে পুনরায় প্রেরণ করা লাগবে সেই নির্দেশনা দ্রুত দিন। সময় কিন্তু দিনের পর দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরে বলবেন সময় শেষ তা কিন্তু মেনে নেওয়া যাবে না। আপনার নির্ধারিত সময় দুই মাস। এমনও অনেক সংশোধনী আদৌ দুই মাসে হবে কিনা সন্দেহ আছে।
তাই পরিশেষে আবারও বলছি দ্রুততার সহিত আপনাদের করণীয় কাজ গুলো সম্পন্ন করুন দয়া করে আর দেরি করবেন না। যথেষ্ট দেরী হয়ে গেছে। আমরা অনেক কষ্টে আছি। একটু অনুভব করার চেষ্টা করুন।
Leave a Reply