চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও আলোচিত ম্যাচ হিসেবে বরাবরই বিবেচিত হয় ভারত–পাকিস্তান লড়াই। দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে এই ম্যাচ শুধু একটি খেলাই নয়,
সরকারের অনুমতির ওপরই আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নির্ভর করছিল। সেই অনুমতি রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) পাওয়ার পর টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে অংশ
বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই আলাদা এক উত্তেজনা, আবেগ আর বাণিজ্যিক উন্মাদনা। দর্শকসংখ্যা, টেলিভিশন রেটিং, বিজ্ঞাপন—সব দিক থেকেই এই একটি ম্যাচ আইসিসির জন্য ‘গোল্ড মাইন’। কিন্তু ২০২৬ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে
আর মাত্র পাঁচ দিন পর ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে শুরু হতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু এত কাছে এসেও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। যদিও সোমবার সিদ্ধান্ত ঘোষণার কথা ছিল, তবে
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘনিয়ে আসছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথভাবে আয়োজিত এই বৈশ্বিক আসর। এদিকে টুর্নামেন্টের সূচনালগ্নে ভারতে আয়োজন নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। অথচ গত গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের জন্য ভারতের করা একই ধরনের অনুরোধ ঠিকই
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নতুন করে আবেদন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আবেদন করা হয়েছে আইসিসির ডিসপুট রেজোলিউশন কমিটির (ডিআরসি) কাছে। অথচ, এই কমিটির এই ধরনের আবেদন