সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো পুরো মাত্রায় কার্যকর হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই। এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে
বাংলাদেশের সকল পেশাজীবিদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। হয়না শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাগ্যের তেমন কোন উন্নয়ন। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের সাথে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়মের কথা যখন তাদের কর্তৃপক্ষের নিকট জানায়
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের কাঙ্ক্ষিত ঘোষিত হয়েছে নতুন পে স্কেল। এতে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। এতে ২০তম গ্রেডভুক্তদের বেতন
নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জাতীয় বেতন কমিশন। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে ১০০ থেকে ১৪৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে কমিশন। কমিশনের এ সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবি
জাতীয় স্কেলে আওতাভুক্ত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এতদিন গভীর টেনশনে ছিলেন কমবেশি সবাই যে পে কমিশনের রিপোর্ট কোনদিন প্রদান করবে আদৌ পে কমিশনের রিপোর্ট এই সরকারের মেয়াদপূর্তীর পূর্বেই প্রদান করবে
নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই নবম জাতীয় বেতন কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন কমিশনপ্রধান
জাতীয় বেতন স্কেল–২০১৬ বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কাঠামো, যা মোট ২০টি গ্রেডে বিভক্ত। এই স্কেলে সর্বোচ্চ গ্রেড (১ম গ্রেড) থেকে সর্বনিম্ন গ্রেড (২০তম গ্রেড) পর্যন্ত মূল বেতনের