ফেব্রুয়ারী মাসের বেতনের অপেক্ষায় থাকা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত বেতনের তালিকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ড্যাশবোর্ডে দৃশ্যমান হয়েছে। এর অর্থ হলো প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার
এমপিওভুক্ত (মার্কস প্রাপ্ত) স্কুল ও কলেজগুলিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে দুটি মূল অংশ আছে—একটি সরকারি অংশ (এমপিও) এবং অন্যটি প্রতিষ্ঠান ফান্ড থেকে দেওয়া বেতন বা ভাতা। এখন নির্দেশনা হলো: সারসংক্ষেপে,
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা না থাকলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না—এমন শর্ত যুক্ত করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ)
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের যাদের বেতন বকেয়া আছে, সেগুলো ঈদের আগেই দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে দেওয়া শুরু হবে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতার দাবি নতুন কোনো বিষয় নয়; এটি দীর্ঘদিনের একটি ন্যায্য প্রত্যাশা, যা বারবার আলোচনায় এলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি খুব কমই দেখা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষামন্ত্রী
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন আজ (৩ মার্চ) থেকে প্রদানের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)
১. নতুন অভিজ্ঞতার শর্ত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নির্দেশ দিয়েছেন যে: সাথে, মন্ত্রী বলেছেন সহকারী অধ্যাপক ও সিনিয়র শিক্ষক পদ হতে আবেদন করার অপশন বাদ দেওয়ার