ইএফটি, কিন্তু শুধু নামে? — এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোগান্তির বাস্তবচিত্র দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে সরকার ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) পদ্ধতি চালু করেছে, যাতে শিক্ষক-কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে ব্যাংক হিসাবের
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। কিন্তু প্রতি মাসেই বেতন প্রাপ্তির জটিলতা তাঁদের জীবনে এক স্থায়ী দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। মাস শেষ হয়, নতুন মাস শুরু হয়, অর্ধেকের বেশি সময়
বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) ব্যবস্থাটি মূলত বেতন ও ভাতা পরিশোধের একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও ডিজিটাল পদ্ধতি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষকরা সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে
“ভাসুর” ও “শ্বশুর”—বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবহেলার প্রতীক “এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা আমলাদের ভাসুর আর সরকারের শ্বশুর”—এই তীব্র অভিব্যক্তিটি নিছক রসিকতা নয়, বরং বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতি দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনার
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ইএফটির মাধ্যমে বেতন ছাড়ে বিলম্ব, আগামী সপ্তাহে চার ধাপের প্রস্তাব যাবে মন্ত্রণালয়ে– আইবাস++ সফটওয়্যারের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন প্রদানের অংশ হিসেবে ডিসেম্বরের সপ্তম
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের অনেক বড় আশা ভরসার প্রতীক হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল ইএফটি। কিন্তু সেই ইএফটি যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জীবনে এত জটিলতা বয়ে নিয়ে আসবে তা
চলতি বছর থেকেই বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি চালু করার উদ্যোগ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া চলতি বছর থেকেই চালু করতে চায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এজন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশন