এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতির মাধ্যমে আইবাস++ সফটওয়্যারে তাদের বেতন প্রদান করা হবে। এর ফলে সাময়িক বরখাস্ত, মৃত্যুবরণকারী বা
পৃথিবীর সবচেয়ে চতুর প্রাণী হিসেবে শেয়ালের নাম আসে, আর পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে চালাক ধরা হয় কাককে। এরা নিজেদের এতটাই বুদ্ধিমান মনে করে যে অন্যরা তাদের চালাকি ধরতে পারে—এটা তারা ভাবতেই
এপ্রিলের বেতন এখনও পাননি বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বিলম্ব দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী এখনো ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের বেতন
মাউশি অঙ্গীকার করে, অঙ্গিকার না রাখার জন্য। এ যেন চিরচারিত রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে মাউশির জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে। প্রতিমাসেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দেরীতে প্রদান করে দুঃখ
ভাতা বৃদ্ধিতে প্রধান অন্তরায়: এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাস্তবতা ও করণীয় বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চালিকাশক্তি হলেন শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-সম্পৃক্ত কর্মচারীরা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা আর্থিক সংকট
পৃথিবীতে যত বিস্ময়কর পেশা আছে, তার মধ্যে নিঃসন্দেহে একটি হল বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের পেশা। এ পেশায় আমরা যারা নিয়োজিত, তারা যেন অনেকটা প্লেটোর “দার্শনিক রাজা”—যাদের সমাজের কল্যাণে কাজ
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীর আয়ের পথ অত্যন্ত সীমিত এবং নগন্য। তারপর আবার সেই আয় যদি মাসের শেষে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পাওয়া না যায় তাহলে তা আরও কষ্টকর হয়ে