সার্টিফিকেটে নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী ও আবেদনকারীদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি এবং দীর্ঘসূত্রতা বন্ধে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বহীনতার কারণে আবেদনকারীরা যাতে আর ভোগান্তির শিকার না হন, সে লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্ত সকল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সার্টিফিকেটে নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোনো ধরনের বিলম্ব না করে তা দ্রুত শিক্ষা বোর্ডে ফরওয়ার্ড করতে হবে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তির কার্যক্রম শুরু করা যায়।
বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবেদনকারীদের নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন সম্পন্ন করলেও তা সময়মতো শিক্ষা বোর্ডে ফরওয়ার্ড করছে না। এর ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও আবেদনকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং তারা অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি, হয়রানি ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আবেদন ফরওয়ার্ড করতে অযথা বিলম্ব কিংবা অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের এ বিষয়ে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে আবেদনকারীরা দ্রুত ও নির্বিঘ্নে প্রয়োজনীয় সেবা পান।
এ ছাড়া আবেদনপত্রে মোবাইল নম্বর ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বোর্ড জানিয়েছে, নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনপত্রে অবশ্যই আবেদনকারী নিজে অথবা তার অভিভাবকের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোবাইল নম্বর কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষের মোবাইল নম্বর আবেদনপত্রে উল্লেখ করা যাবে না।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রতি এ নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে আবেদনকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সেবা কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply