বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ৭৫ হাজারের বেশি শূন্য পদের তথ্য হাতে পেয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এসব পদের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার পদ সংরক্ষণ রেখে অবশিষ্ট পদগুলোতে ৯ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছ থেকে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে এসব তথ্য বিস্তারিতভাবে যাচাই-বাছাই করা হলে চূড়ান্তভাবে শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৫ হাজার ৭৬৯টি।
সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাচাই শেষে পাওয়া এই ৭৫ হাজার ৭৬৯টি শূন্য পদের সবগুলোতে একযোগে নিয়োগ দেওয়া হবে না। কারণ, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও যারা এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশ পাননি, তাদের জন্য প্রায় ৬ হাজার পদ সংরক্ষণ করে রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এই সংরক্ষিত পদ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট পদগুলোর বিপরীতে ৯ম শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষা চলছে। চলতি সপ্তাহেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই ৯ম শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ঠিক কতটি শূন্য পদ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ কিন্তু এখনো সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য প্রায় ৬ হাজার পদ সংরক্ষণের নির্দেশনা রয়েছে। সে কারণে মোট ৭৫ হাজার ৭৬৯টি শূন্য পদের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার পদ আলাদা রেখে প্রায় ৬৯ হাজার পদের বিপরীতে ৯ম শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।
Leave a Reply