1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

আবারও ব্যক্তিনামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার পথে হাঁটছে বর্তমান সরকার

  • Update Time : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০০ Time View
শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় অপসারণ করেছে। এই অপসারণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, যদি কোনো শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি নতুন করে বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য জমি প্রদান করেন, তাহলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজস্ব অর্থায়নে ওই বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করবে এবং প্রতিষ্ঠানটির নাম দাতার নামানুসারেই রাখা হবে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সম্প্রসারণের কারণে যে ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ভেঙে ফেলেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যে সংস্থা স্থাপনা অপসারণ করে, তাদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ হিসেবে অর্থ নেওয়া হবে এবং সেই অর্থ দিয়ে নতুন করে বিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়ে বলেছেন, যদি কোনো শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি স্বেচ্ছায় জমি প্রদান করেন, তাহলে দ্রুততার সঙ্গে সরকারিভাবে ভবন নির্মাণ করে সেই প্রতিষ্ঠানের নাম দাতার নামে নামকরণ করা হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি জানান।

শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিপুল অঙ্কের অর্থে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বর্তমানে এই ট্রাস্টে পর্যাপ্ত তহবিল নেই। ফলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ প্রদানেও জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার দ্রুত এই সংকট নিরসনে কাজ করছে এবং আগামী জাতীয় বাজেটে কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য একটি থোক বরাদ্দ রাখার চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আবেদন করার পরও বছরের পর বছর তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি। অর্থ সংকটের কারণে অনেককে নিজেদের সন্তানদের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে হয়েছে। এমনকি চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে অনেক শিক্ষক দুঃখজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে কিছুটা সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme