পবিত্র ঈদুল ফিতরে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ৬০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাচ্ছেন না। এ বছরও তাদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ হিসেবেই বিল জমা দেওয়া হয়েছে। ফলে আসন্ন ঈদে বর্ধিত ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসের বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করে বর্ধিত অর্থ দেওয়া হতে পারে, অথবা আগামী ঈদুল আজহা থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা বাড়তি উৎসব ভাতার সুবিধা পেতে পারেন।
এদিকে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী A. N. M. Ehsanul Haque Milon। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির বিষয়ে একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি ঘোষণা করবেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, অভ্যন্তরীণ আলোচনা অনেক সময় আগেভাগেই বাইরে চলে আসছে, যা উদ্বেগজনক।
এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক অনুমোদন দেন। গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থমন্ত্রীর কাছে উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবসংবলিত একটি ডিও লেটার পাঠানো হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরে বর্ধিত ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হবে। তখন ঈদের পর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ অর্থ সমন্বয় করে শিক্ষক-কর্মচারীরা তুলতে পারবেন।
Leave a Reply