1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
Title :
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি

এমপিও শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ বদলিতে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা কতটুকু জানাল এনটিআরসিএ

  • Update Time : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩৮ Time View
এমপিও শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ বদলিতে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা কতটুকু জানাল এনটিআরসিএ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী সপ্তাহ থেকেই এ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও এটি বদলির ক্ষেত্রে কোনো বাধা তৈরি করবে না। কারণ শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লাগে। এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম তার আগেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর লিখিত পরীক্ষা, ফল প্রকাশ এবং মৌখিক পরীক্ষা—সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ছয় থেকে আট মাস সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম আগামী তিন মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফলে নতুন শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরুর আগেই বদলি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বদলির জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার তৈরি শেষ হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। তার মতে, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই বদলি কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও সেই পদগুলো নিয়োগ সুপারিশ না হওয়া পর্যন্ত উন্মুক্তই থাকবে। ফলে ওই পদগুলোর বিপরীতে শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন। তবে বদলির কারণে পরবর্তীতে নতুন শিক্ষকদের নিজ জেলার বাইরে অন্য জেলায় সুপারিশ পাওয়া সম্ভব।

জানা গেছে, এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আগে বদলির কোনো সুযোগ ছিল না। তারা কেবল গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন করে আবেদন করে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা এই সুযোগ পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আবেদন করার সুযোগ বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে শিক্ষকদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বদলি চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এ জন্য একটি বদলি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। তবে শিক্ষকদের একাংশের করা রিট মামলা, সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়া এবং নীতিমালা সংশোধনসহ বিভিন্ন কারণে এখনো পর্যন্ত বদলি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। যদিও সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হয়েছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়ায় বদলি কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme