1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
Title :
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি

এমপিও শিক্ষকদের উৎসব ভাতার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর বিষয়ে যা জানাল মাউশি

  • Update Time : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৭৫ Time View
এমপিও শিক্ষকদের উৎসব ভাতার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর বিষয়ে যা জানাল মাউশি

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ফেব্রয়ারী মাসের বেতন নিয়ে স্বস্তির খবর প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ভাতার সরকারি অংশ ছাড়ের প্রায় সকল কাজই শেষ করে ফেলেছে। ফলে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বেতন ও ভাতা নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এখন যে বিষয়টি নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে আশংকা তৈরি হয়েছে তা হলো উৎসব ভাতা। উৎসব ভাতা সময়মতো পাওয়া যাবে তো, ঈদের পূর্বেই তা উত্তোলন করা যাবে তো? এবার আবার এর সাথে যুক্ত হয়েছে বর্ধিত উৎসব ভাতার বিষয়টি।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা প্রাপ্তির প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করেই সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ শুরু হয় প্রতিষ্ঠানের ইএফটি (EFT) ড্যাশবোর্ডে উৎসব ভাতার বিল সাবমিট করার মাধ্যমে। এ কাজটি সম্পন্ন করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছিল গত ৪ মার্চ পর্যন্ত। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের উৎসব ভাতার বিল সাবমিট করতে ব্যর্থ হয়েছে, তারা চলতি ঈদের জন্য বোনাস পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। অর্থাৎ প্রাথমিক এই ধাপটি পুরো প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখান থেকেই শুরু হয় উৎসব ভাতা অনুমোদনের প্রশাসনিক কার্যক্রম।

বিল সাবমিট হওয়ার পর পরবর্তী ধাপগুলো সাধারণত আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা শিক্ষকদের হাতে থাকে না। তখন পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হয় মাউশির ইএমআইএস (EMIS) সেল এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমে। প্রথমে ইএমআইএস সেল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে জমা হওয়া বিলগুলো একত্র করে মোট কত অর্থ প্রয়োজন হবে তার হিসাব প্রস্তুত করে। এরপর সেই হিসাব প্রস্তাবনা আকারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় অনুমোদনের জন্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তাবটি অনুমোদন করলে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর বিষয়টি যায় মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে (এজি অফিস)। সবশেষে আইবাস++ (iBAS++) সিস্টেমের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয়। এতগুলো প্রশাসনিক ধাপ পার হওয়ার পরই মূলত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বেতন-ভাতা বা উৎসব ভাতা হাতে পান।

এদিকে চলতি বছরের ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে মাউশির ইএমআইএস সেলের প্রোগ্রামার মোঃ জহির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শনিবার এ বিষয়টি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আগামীকাল এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতার প্রস্তাবনা ৫০ শতাংশ হারে অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ধারণা করা হচ্ছে, এই ঈদে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ৬০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন না; বরং আগের মতোই ৫০ শতাংশ হারে ভাতা অনুমোদনের সম্ভাবনাই বেশি। মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্যও সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া একটি দীর্ঘ প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। প্রাথমিক ধাপ হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল সাবমিট করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পরবর্তী ধাপগুলোতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনও সমানভাবে প্রয়োজন। আর চলতি পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আগের হার অনুযায়ীই ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme