1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
Title :
নতুন রাষ্ট্রপতি হিসাবে সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছে যাদের নাম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয়

চালু হচ্ছে স্কুল ও কলেজে র‍্যাঙ্কিং-ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

  • Update Time : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৩৪ Time View
চালু হচ্ছে স্কুল ও কলেজে র‍্যাঙ্কিং-ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার স্কুল ও কলেজের জন্য একটি র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই র‍্যাঙ্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, শিক্ষার মান, ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়ন করা হবে। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উন্নত শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে এবং শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত র‍্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গুণগত মান নির্ধারণের জন্য একাধিক সূচক বা মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে। এসব সূচকের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ফলাফল, শিক্ষকদের মান ও দক্ষতা, প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যবস্থা, শিক্ষার পরিবেশ, অবকাঠামোগত সুবিধা, শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক দক্ষতার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এসব মানদণ্ডের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হবে, যাতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের অবস্থান উন্নত করতে উদ্যোগী হয়।

এ সময় তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর তদারকির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার ভিত্তি অনেক আগেই স্থাপিত হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার বিষয়টি গুরুত্ব পেতে শুরু করে।

মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অল্প সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অডিট ব্যবস্থার সূচনা করেন। এর ফলে শিক্ষা প্রশাসনের মধ্যে একটি সুশৃঙ্খল এবং জবাবদিহিমূলক কাঠামো গড়ে ওঠে। তিনি বলেন, সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমানে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, বাস্তবমুখী এবং যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের শিক্ষাখাত আগামী দিনে আরও গতিশীলভাবে এগিয়ে যাবে। সরকারের লক্ষ্য হলো শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে তা দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সভায় তিনি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি সংকট এবং নানা ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এই বাস্তবতায় সরকার সরকারি দপ্তরগুলোকে মিতব্যয়ী ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে। তাই সরকারি দপ্তরের কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সংযমী হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকারি অফিসগুলোতে গাড়ি শেয়ারিং পদ্ধতি চালু করা, অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো এবং এয়ার কন্ডিশনার নির্ধারিত তাপমাত্রায় চালানোর মতো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকারি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে এই অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকি করা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। তাই এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা এবং দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করতে হবে।

সভায় তিনি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, অতীতে তারা কী ধরনের কাজ করেছেন, বর্তমানে কী কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কী ধরনের পরিবর্তন বা উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন—এসব বিষয়ে তাদের মতামত ও সুপারিশ লিখিতভাবে জমা দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, এই তথ্য ও মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা সহজ হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়ন করতেও এটি সহায়ক হবে।

সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রয়োজন। সরকার, শিক্ষা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই শিক্ষাখাতকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও তিনি নিয়মিতভাবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর পরিদর্শন করবেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন, যাতে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীলভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।

এ সময় সভায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme