1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
Title :
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি

১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল এনটিআরসিএ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯১ Time View
১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল এনটিআরসিএ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পরিকল্পনা থাকলেও সময় স্বল্পতার কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঈদের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৭ মার্চ থেকে সরকারি ছুটি শুরু হবে। সেই হিসাবে ১৬ মার্চ হবে সরকারি অফিসের শেষ কার্যদিবস। এর আগে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদের তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। এই তথ্য সংগ্রহের জন্য অন্তত ১০ দিন সময় প্রয়োজন। কিন্তু হাতে কার্যদিবস রয়েছে মাত্র সাতদিন। ফলে প্রয়োজনীয় সময়ের অভাবে ঈদের আগে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঈদের আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ঈদের পরপরই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে এ পরীক্ষায় লিখিত পদ্ধতি যুক্ত করা হবে বলে দাবি করা হয়। তবে এ ধরনের তথ্যকে গুজব বলে স্পষ্ট করেছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে তা বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। সেখানে লিখিত পরীক্ষার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ফলে এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও জানান, আগের মতোই ২০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতেই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রমের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময়সীমা বাড়িয়ে গত ১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। এখন এই কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরপরই শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের জন্য ই-রিকুইজিশন কার্যক্রম শুরু করবে এনটিআরসিএ।

এদিকে নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত নতুন পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি—এই তিন বিভাগের জন্যই মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগে যে প্রস্তাবটি আলোচনায় ছিল সেখানে স্কুল-কলেজ এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য ১০০ নম্বর বিষয়ভিত্তিক (সাবজেক্টিভ) এবং ১০০ নম্বর সাধারণ (জেনারেল) পরীক্ষার কথা বলা হয়েছিল। অন্যদিকে মাদ্রাসা বিভাগের জন্য ১৪০ নম্বর বিষয়ভিত্তিক এবং ৬০ নম্বর সাধারণ পরীক্ষার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এভাবে নম্বর বিভাজন করা হলে তিন বিভাগের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হতে পারে। সে কারণে তিন বিভাগের জন্য একই ধরনের নম্বর কাঠামো বা প্যাটার্ন রাখার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার সময় বিভিন্ন মহল থেকে ভিন্ন ভিন্ন প্রস্তাব উঠে এসেছে। কেউ কেউ স্কুল-কলেজ ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের জন্য এক ধরনের পদ্ধতি এবং মাদ্রাসার জন্য আলাদা পদ্ধতির কথা বলেছেন। তবে তিন বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা পদ্ধতি চালু করা হলে সেটি এক ধরনের বৈষম্য তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই এ বিষয়টি মাথায় রেখে তিন বিভাগের জন্য একই ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছে সংশ্লিষ্টরা।

এ ছাড়া আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। জানা গেছে, এর আগে এনটিআরসিএর নিবন্ধন পরীক্ষায় কখনোই প্রার্থীদের ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষার নম্বর যুক্ত করা হয়নি। কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো ভাইভার নম্বর যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নতুন বিধিমালায় ভাইভা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

আরও জানা গেছে, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রেও একটি নতুন নিয়ম চালু করা হতে পারে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী প্রথমবারের মতো ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকেই প্রার্থীদের বয়স গণনা করা হবে। এ বিষয়টিও নতুন বিধিমালার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme