এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য ভুলের কারণে বকেয়া পরিশোধের জন্য বেতন শিট সাবমিটে অনাগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে। শিক্ষকদের দ্রুত বিল সাবমিটের আহ্বান জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
শনিবার মাউশি অধিদপ্তরের এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের এক কর্মকতা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা ধীরগতিতে বিল সাবমিট করছেন। তারা দ্রুত আবেদন করলে আমরাও এটা থেকে মুক্ত হতে পারি, তারাও টাকাটা পান। কিন্তু তারা তো বিল সাবমিট করছে খুব ধরিগতিতে। আমরা অপেক্ষায় আছি তাদের বিল সাবমিটের জন্য।
এর আগে অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত জনবলের এর টাকা ইএফটিতে ডিসেম্বর-২০২৪ থেকে জুলাই-২০২৫ মাস পর্যন্ত সরাসরি শিক্ষক-কর্মচারীদের স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাব নম্বরে পাঠানো হয়েছে।
ইএফটিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ পাঠানোর জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে তাঁর প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত সব জনবলের এনআইডি ও ব্যাংকের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য আইবাস ডাবল প্লাস সিস্টেমের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। আইবাস ডাবল প্লাস সিস্টেমে যাচাইয়ে যে সব জনবলের তথ্য ইনভ্যালিড হয়েছিলো এবং পরবর্তীতে তথ্য সঠিক হওয়ায় বেতন সচল হয়েছে তাদের বকেয়া বেতন দিতে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হয়েছে।
যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীর যে সব মাসের বিল বা উৎসব ভাতা বকেয়া আছে সেই প্রতিষ্ঠান প্রধান তাঁর প্রতিষ্ঠানের এমপিও সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত আইডি এবং পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগইন করে বিল সাবমিট অপশন থেকে সেই সব বকেয়া মাসের বিল আলাদা আলাদাভাবে সাবমিট করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিলকৃত তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া অর্থ পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, ইএফটি সিস্টেম চালু হওয়ার পর ডিসেম্বর-২০২৪ মাসে থেকে জুলাই-২০২৫ মাস পর্যন্ত (ইএফটির তথ্য ভুলের কারণে সৃষ্ট বকেয়া) যদি কোনো শিক্ষক, কর্মচারী অনলাইন এমপিও আবেদনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে নিয়ে থাকেন, তাদের বকেয়া বিল সাবমিটের সময় তাদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট নেই অপশন দিতে হবে।
Leave a Reply