1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

৮ম বেতন কমিশনের রিপোর্ট প্রদানের কতদিন পর তা বাস্তবায়ন হয়েছিল দেখুন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৬৯ Time View
৮ম বেতন কমিশনের রিপোর্ট প্রদানের কতদিন পর তা বাস্তবায়ন হয়েছিল দেখুন

নবম জাতীয় বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই তাদের সুপারিশ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে, যা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। ২৩ সদস্যের এই কমিশন কমিশন প্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা নতুন পে স্কেল বিষয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও এখন মূল অপেক্ষা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কত দ্রুত সম্পন্ন হয়, সে দিকেই সবার দৃষ্টি।

অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, পে স্কেল ঘোষণার পর তা কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগে। অষ্টম জাতীয় পে স্কেলের ক্ষেত্রেও এমনটি দেখা গেছে। সে সময় ২০১৫ সালের ১৩ মে পে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার পর প্রায় সাড়ে সাত মাস পর, ১৫ ডিসেম্বর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তা কার্যকর করা হয়। যদিও বাস্তবায়নের তারিখ ধরা হয়েছিল আগের বছরের ১ জুলাই থেকে, ফলে চাকরিজীবীরা একসঙ্গে বকেয়া বেতন পাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। এই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকেই মনে করছেন, নবম পে স্কেল ঘোষণার পরও গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

অষ্টম পে স্কেলের সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন ১৬ ধাপে বেতন কাঠামোর সুপারিশ করেছিল। সেখানে সর্বোচ্চ বেতন প্রস্তাব করা হয়েছিল ৮০ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২০০ টাকা। তবে গেজেট প্রকাশের সময় তা সামান্য পরিবর্তিত হয়ে সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার এবং সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারিত হয়। সে সময় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত কম বেতনের কর্মচারীদের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বেসরকারি খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন কাঠামো নির্ধারণের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন।

নবম পে স্কেলের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো আগের তুলনায় আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, নতুন স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ধরা হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যেখানে বেতন অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে ১:৮। এটি বাংলাদেশের বেতন কমিশনের ইতিহাসে সর্বনিম্ন অনুপাত। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথম বেতন কমিশন (১৯৭৩)–এ এই অনুপাত ছিল ১:১৫.৪ এবং সর্বশেষ অষ্টম বেতন কমিশনে (২০১৫) ছিল ১:৯.৪। বর্তমান কমিশনের এই কম অনুপাত বৈষম্য কমানোর একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে এবং ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করে। দীর্ঘ ১২ বছর পর গঠিত এই কমিশনের জন্য নির্ধারিত শেষ সময় ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। কিন্তু কমিশন নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার পাশাপাশি বরাদ্দকৃত বাজেটের মাত্র ১৮ শতাংশ ব্যয় করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে, যা তাদের কার্যকারিতা ও দক্ষতারই প্রতিফলন। এখন সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা, অতীতের মতো দীর্ঘসূত্রতা না রেখে সরকার দ্রুত গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে এগোবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme