1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

আপনার মোবাইল ফোনটি কি বৈধ না অবৈধ? জানবেন যেভাবে

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭২ Time View
আপনার মোবাইল ফোনটি কি বৈধ না অবৈধ? জানবেন যেভাবে

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (NEIR) কার্যক্রম আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নিবন্ধিত থাকবে। ফলে কোনো অবৈধভাবে আমদানি করা বা অননুমোদিত উপায়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া নতুন হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে কাজ করতে পারবে না — সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যাবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মোবাইল ফোনের চুরি ও কালোবাজারি রোধ করা, নকল ও অবৈধ হ্যান্ডসেটের ব্যবহার কমানো এবং বৈধ আমদানিকে উৎসাহিত করা। যারা বৈধভাবে ক্রয়কৃত ফোন ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য কোনো ঝুঁকি বা সমস্যা হবে না—তবে নতুন ফোন কিনলে সেটির আইএমইআই নম্বর মিলিয়ে দেখা ও রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেন, ‘বর্তমানে নেটওয়ার্কে সচল থাকা অনুমোদিত বা অননুমোদিত কোনো হ্যান্ডসেটই বন্ধ করা হবে না। এমনকি ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা অবিক্রীত যেসব হ্যান্ডসেটের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) তালিকা বিটিআরসিতে জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও বন্ধ হবে না।’

আপনার মোবাইল ফোনটি বৈধভাবে নিবন্ধিত কি না, তা এখন খুব সহজেই জানা সম্ভব। চাইলে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই কয়েকটি সহজ ধাপে জেনে নিতে পারেন তাদের ফোনের নিবন্ধন অবস্থা। এজন্য ইন্টারনেট সংযোগেরও প্রয়োজন নেই কয়েকটি সহজ নির্দেশনা অনুসরণ করলেই জানা যাবে ফলাফল।

কয়েক ধাপে যেভাবে যাচাই প্রক্রিয়া
ধাপ–১ : মোবাইল ফোন থেকে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করুন।
ধাপ–২ : প্রদর্শিত বক্সে ফোনের ১৫-সংখ্যার IMEI নম্বর লিখে পাঠান।
ধাপ–৩ : অল্প সময়ের মধ্যেই ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে হ্যান্ডসেটটির হালনাগাদ নিবন্ধন অবস্থা জানিয়ে দেওয়া হবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, যারা চাইলে এ সেবাটি neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সিটিজেন পোর্টালে লগইন করে বা মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও নিতে পারবেন।

এছাড়াও কয়েকটি ধাপে বৈধতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ধাপ-১ : মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD<space>১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখুন। উদাহরণ স্বরূপ : KYD 123456789012345।
ধাপ-২ : IMEI নম্বরটি লিখার পর ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণ করুন।
ধাপ-৩ : ফিরতি মেসেজ এর মাধ্যমে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর অবৈধ হ্যান্ডসেট বা ‘গ্রে মার্কেট’–এর ফোন বন্ধের প্রতিবাদে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন বিক্রেতারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এনইআইআর চালুর কার্যক্রম তিন মাসের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, তিন মাস পেছানোর ওই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বিটিআরসি বলছে, অবৈধ হ্যান্ডসেট রোধ, চুরি হওয়া ফোন বন্ধ এবং মোবাইল বাজারের বিশৃঙ্খলা দূর করতেই এনইআইআর চালু করা হচ্ছে। কারিগরিভাবে এনইআইআর মূলত আইএমইআই, সিম নম্বর ও আইএমএসআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি) এ তিনটি বিষয় যাচাই করে নেটওয়ার্ক সচল রাখে। এটি কোনো কল রেকর্ড করে না, মেসেজ পড়ে না কিংবা ইন্টারনেট কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে না।

তবে এনইআইআর একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে ডিভাইস ও সিমকে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত করায় নজরদারির উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এনইআইআর নিজে নজরদারির হাতিয়ার না হলেও সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হলে এটি নজরদারির সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতেও চুরি হওয়া ফোন বন্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা চালু আছে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, এনইআইআর ডিজিটাল অর্থনীতিতে জালিয়াতি রোধ করতে পারে। তবে সমালোচকদের মতে, এর বৈধতা নির্ভর করবে কঠোর আইনি তদারকি, স্বচ্ছতা, যৌক্তিকতা এবং গোপনীয়তা সুরক্ষার ওপর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme