1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

যে কারণে বেতন পাচ্ছেন না নিয়োগ প্রাপ্ত মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকরা জানাল অধিদপ্তর

  • Update Time : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১২০ Time View
মাদ্রাসা অধিদপ্তর

গ্রেড বৈষম্যের জটিলতার কারণে টানা তিন মাস ধরে বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক (কৃষি শিক্ষা) পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর ৭ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নিয়োগ পাওয়া এই শিক্ষকরা বর্তমানে তীব্র আর্থিক ও মানসিক সংকটের মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন। এমনকি আসন্ন ঈদুল উৎসবেও তারা বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত থাকতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যা তাদের দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত নীতিমালার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি স্কুল ও মাদ্রাসা—উভয় ক্ষেত্রেই ১০ম গ্রেড হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। এই প্রচলিত ধারণার ওপর ভিত্তি করেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা এমপিওভুক্তির জন্য তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফাইল জমা দেন। কিন্তু ফাইল জমা দেওয়ার পরই দেখা যায় এক ভিন্ন বাস্তবতা—সংশ্লিষ্ট সেন্ট্রাল প্রোগ্রামার ধারাবাহিকভাবে এসব ফাইল বাতিল (রিজেক্ট) করে দিচ্ছেন।

ফাইল রিজেকশনের ক্ষেত্রে মন্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, ‘ফাইলগুলো ১১তম গ্রেডে পাঠাতে হবে’। এই নির্দেশনার ফলে মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষার সহকারী শিক্ষকরা মারাত্মক বিপাকে পড়ে যান। কারণ, একই যোগ্যতা, একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে এবং একই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার পরও স্কুলের ক্ষেত্রে কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। অথচ মাদ্রাসার ক্ষেত্রে সর্বশেষ এমপিও নীতিমালায় এই পদটি ১১তম গ্রেড হিসেবে উল্লেখ থাকায় বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে একই পদ, একই শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং একই নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরও স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট গ্রেড বৈষম্য তৈরি হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়িয়ে তুলছে।

এই সমস্যার সমাধানে ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জানা গেছে, গ্রেড বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ফাইল শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনও পেয়েছে। পরবর্তীতে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে দেড় মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অনুমোদন পাওয়া যায়নি। এর ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের আর্থিক সংকট ক্রমশ তীব্র আকার ধারণ করছে।

এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট-১ শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ ফারুক-উজ-জামান জানিয়েছেন, ‘মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে।’ তবে এই প্রক্রিয়ার ধীরগতি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জন্য বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের পর এপ্রিল মাসের এমপিওভুক্তির ফাইলও বাতিল হওয়ায় শিক্ষকরা ইতোমধ্যে টানা তিন মাসের বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বেতন না পাওয়ায় তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মো. মাসুদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রায় এক মাস আগে প্রয়োজনীয় চিঠি পাঠানো হলেও অর্থ মন্ত্রণালয় এখনো সেই ফাইল অনুমোদন দেয়নি। যেখানে শিক্ষামন্ত্রী ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছেন, সেখানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এই বিলম্বের কারণ আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা দ্রুত নীতিমালা সংশোধন করে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাই।’

সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, প্রশাসনিক জটিলতা ও নীতিমালার অসামঞ্জস্যতার কারণে একদল শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বেতনহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে এই বৈষম্য দূর না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme