জয়পুরহাট জেলার কাপাসিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসায় কর্মরত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ইসমেতারার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে চাকরির সময়ে তিনি যে বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত আনারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কাপাসিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, সহকারী শিক্ষক ইসমেতারা ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ১০ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ৩১৩২৯৬৮৯ রোল নম্বর উল্লেখ করে যে নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করছিলেন, তা যাচাই-বাছাই শেষে সম্পূর্ণ জাল ও ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এনটিআরসিএ’র রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় এই সনদের কোনো বৈধতা পাওয়া যায়নি।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ইসমেতারার এমপিওভুক্তির ইনডেক্স নম্বর M0033646 বাতিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের মাধ্যমে অবৈধভাবে গ্রহণ করা অর্থ ফেরত আদায় এবং জাল সনদ ব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে ফৌজদারি মামলা দায়েরের জন্যও নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
Leave a Reply