বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদা (রিকুইজিশন) প্রদান করার কারণে তাদের এই শাস্তির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, ভুল চাহিদা দেওয়ার ফলে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষক যোগদানের পর বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক ও কার্যগত জটিলতায় পড়েছেন। এসব জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হবে। এই প্রতিস্থাপন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরই ভুল তথ্য দিয়ে চাহিদা প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে।
সূত্রটি আরও জানায়, শোকজ নোটিশের জবাব পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এনটিআরসিএ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলো তাদের নিজ নিজ বিধি অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা বলেন, ভুল চাহিদা দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের শোকজ করা হবে এবং তাদের জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী সময়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।
Leave a Reply