1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির ফাইল শিক্ষামন্ত্রীর নিকট

  • Update Time : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৩৩ Time View
মাদ্রাসা অধিদপ্তর

এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা ও সফটওয়্যার ইতোমধ্যেই চালু করা হলেও মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য প্রণীত বদলি নীতিমালাটি এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। জানা গেছে, নীতিমালাটি বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের দপ্তরে অনুমোদনের জন্য জমা আছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষকদের ভোগান্তি কমানো এবং বদলি বা স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালাটি মন্ত্রীর অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হবে। এরপর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত চিঠি ইস্যু করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করা হবে।

এদিকে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি আধুনিক সফটওয়্যারও তৈরি করা হচ্ছে। এই সফটওয়্যারের আওতায় এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ছাড়াও পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষক তার পুরো চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের একটি বড় দাবি ছিল বদলি নীতিমালা প্রণয়ন। নতুন এ উদ্যোগের ফলে শিক্ষকদের নিজ নিজ এলাকায় বদলির সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা তাদের জন্য স্বস্তির বিষয়। ইতোমধ্যে স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা ও সফটওয়্যার চালু হওয়ায় তারা বদলির অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে এতদিন মাদ্রাসা শিক্ষকরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এখন তাদের জন্যও নীতিমালা প্রণয়ন সম্পন্ন হয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

অন্যদিকে, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এক নোটিশের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শূন্য পদের তথ্য প্রেরণের সফটওয়্যার সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই নোটিশে জানানো হয়, সফটওয়্যার উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় শূন্য পদে তথ্য পাঠানোর লিংক আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। উন্নয়ন কাজ শেষ হলে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পুনরায় কার্যক্রম চালু করা হবে।

এর আগে মাদ্রাসা অধিদপ্তর এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলোর শূন্য পদে তথ্য প্রেরণ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করেছিল, যা মূলত বদলি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মাদ্রাসা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে, তবে তা এখনো প্রাথমিক বাস্তবায়ন পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু চূড়ান্ত হলে সফটওয়্যার আপডেট করে পূর্ণাঙ্গভাবে বদলি কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তারা আরও জানান, মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে অধিদপ্তর প্রস্তুত রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষকদের আবেদন গ্রহণ করে কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। তবে এর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত নির্দেশনা অপরিহার্য।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত ফাইল বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছে। মন্ত্রী স্বাক্ষর করার পরই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও চিঠি জারি করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে মোট ৮ হাজার ২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে। এর মধ্যে দাখিল পর্যায়ের মাদ্রাসা ৫ হাজার ৭৬৭টি, আলিম পর্যায়ের ১ হাজার ২৮৫টি, ফাজিল পর্যায়ের ৯৯৩টি এবং কামিল পর্যায়ের মাদ্রাসা রয়েছে ১৮৪টি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী কর্মরত আছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme