শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন যে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর অধীনে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা যদি আগামী ১৮ এপ্রিল নির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠিত না হয়, তাহলে অনেক প্রার্থী অবসরে চলে যাবেন এবং পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুযোগ আর পাবেন না। তিনি বলেন, এ বিষয়টি সবারই গুরুত্ব দিয়ে বোঝা প্রয়োজন, বিশেষ করে শিক্ষকদের, কারণ তাদের দায়িত্ববোধ ও বাস্তবতা অনুধাবনের ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি হওয়া উচিত।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত শিক্ষক-কর্মচারীদের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, “১৮ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না—এই শর্তটির প্রকৃত অর্থ আপনারা কি বুঝতে পারছেন? বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেকেই এর সঠিক ব্যাখ্যা জানেন না বা বিষয়টি স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করতে পারছেন না।”
তিনি বলেন, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা একটি মামলার কারণে স্থগিত হয়ে আছে। আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশের (স্টে অর্ডার) ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি আটকে গেছে। এ অবস্থায় ১৮ এপ্রিল নির্ধারিত পরীক্ষাটি যদি না হয়, তাহলে কবে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং এ নিয়ে তিনি নিজেও নিশ্চিত নন।
শিক্ষামন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আদালতের স্টে অর্ডারের মাধ্যমে এভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করা হচ্ছে। এতদিন ধরে যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, তা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।
mdnurnnobiakond@gmail.com