বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বেতনের তথ্য ইতোমধ্যে আইবাস (iBAS) সফটওয়্যারে সংযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, যদিও বেতনের তথ্য আইবাস সিস্টেমে আপলোড সম্পন্ন হয়েছে, তবে এই মুহূর্তে শিক্ষক-কর্মচারীরা মার্চ মাসের বেতন হাতে পাচ্ছেন না। কারণ, এখনো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় করা হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড় হওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের হিসাবে প্রেরণ করা হবে, আর এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের জন্য প্রথমে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইনের মাধ্যমে বেতনের বিল প্রস্তাব আকারে দাখিল করেন। এরপর সেই বিল যাচাই-বাছাই করা হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেতন-ভাতার অর্থ ব্যাংকগুলোতে প্রেরণ করে, যা পরবর্তীতে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা হয়।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়াকে নিয়মিত, স্বচ্ছ এবং গতিশীল করার লক্ষ্যে সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করেছে। এই আধুনিক ব্যবস্থার ফলে বেতন প্রক্রিয়াকরণে স্বচ্ছতা বেড়েছে এবং জটিলতা অনেকাংশে কমে এসেছে, যা শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
Leave a Reply