এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার প্রস্তাব আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমানে স্কুল পর্যায়ে মোট ৩ লাখ ২ হাজার ৬৯৩ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ৮৭ হাজার ৫৪৬ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন, যাদের জন্যই এ বৈশাখী ভাতার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
এর আগে বৈশাখী ভাতার বিল দাখিলের নির্ধারিত সময়সীমা বাড়িয়ে নতুন করে একটি চিঠি জারি করা হয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বৈশাখী ভাতার বিল সাবমিট করার সুযোগ পেয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করে বিল জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে জারি করা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতির মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের নিজস্ব আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইএমআইএস (EMIS) সিস্টেমের এমপিও ইএফটি মডিউলে লগইন করেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য পৃথকভাবে বিধিমোতাবেক প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করেন।
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দাখিলকৃত তথ্যের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে এমপিওর অর্থ ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো হয়। ফলে তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়াও নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী যদি মৃত্যুবরণ করেন বা চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট মাসে তার প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণ করে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিল সাবমিট করতে হবে। একইভাবে, কোনো শিক্ষক-কর্মচারী সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকলে, অনুমোদনহীনভাবে অনুপস্থিত থাকলে কিংবা অন্য কোনো কারণে তার বেতন আংশিক বা সম্পূর্ণ কর্তন বা স্থগিত করার প্রয়োজন হলে সেটিও বিল সাবমিট করার সময় যথাযথভাবে উল্লেখ করতে হবে।
সবশেষে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ইএফটির মাধ্যমে এমপিওর অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক দাখিলকৃত তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। যদি ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর হিসাবে অর্থ প্রেরণ না হয় বা অতিরিক্ত অর্থ প্রেরিত হয়, তবে সেই দায়ভার সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে।
অর্থহীন রিপোর্ট করে রিপোর্টার তার মেরুদণ্ডহীন যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন।।
কেমন অর্থহীন রিপোর্ট একটু জানাবেন দয়া করে?