এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সংশ্লিষ্ট বিলটি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২৮ মার্চের মধ্যে পাঠানোর জন্য অনলাইনে বিল সাবমিট করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল প্রতিষ্ঠান প্রধানদের।
মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, পৌনে চার লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর মার্চ মাসের বেতনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে শিক্ষক-কর্মচারীরা মার্চ মাসের বেতন পেতে পারেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘মার্চের বেতনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন দিলে শিক্ষক-কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে বেতনের টাকা পাঠাবে বাংলাদেশ ব্যাংক।’
এ বিষয়ে এক চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত বেতনের অর্থ ইএফটির মাধ্যমে প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। প্রতি মাসে যথাসময়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান অনলাইনে বিল সাবমিট না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ ইএফটিতে পাঠানো সম্ভব হবে না।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সাবমিট করা বিলের কপি ডাউনলোড করে তা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির স্বাক্ষরসহ সংরক্ষণ করতে হবে।
এতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ১ জানুয়ারি থেকে ইএফটির মাধ্যমে প্রদান শুরু হয়েছে এবং জুলাই মাস পর্যন্ত তাদের বেতন সরাসরি নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, দাখিলকৃত বিলের কপি ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির স্বাক্ষরসহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্য অনুযায়ীই এমপিওর অর্থ ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বরে প্রেরণ করা হবে।
এছাড়া বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের এমপিও তালিকাভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ বা পদত্যাগ করলে প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট মাসের বিধি অনুযায়ী তার প্রাপ্যতা নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করবেন।
একইভাবে, সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বিধিমোতাবেক কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর আংশিক বা সম্পূর্ণ বেতন কর্তন বা বন্ধ করার প্রয়োজন হলে সেটিও বিল সাবমিট অপশনে উল্লেখ করতে হবে।
উল্লেখ করা হয়েছে, শুধুমাত্র আইবাস যাচাইয়ের মাধ্যমে ভ্যালিড জনবলের তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য এখনো ভুল রয়েছে, সেগুলো সঠিকভাবে সংশোধন ও যাচাই শেষে পরবর্তীতে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হবে।
Leave a Reply